মেইন ম্যেনু

ওয়াক্সিং এর পূর্বে এই কাজগুলো করতে ভুলবেন না

লোমবিহীন মসৃণ কোমল ত্বক প্রতিটি নারীর কাম্য। এই মসৃণ ত্বক পাওয়ার জন্য ওয়াক্সিং অন্যতম একটি পদ্ধতি। অনেকেই ঘরে অথবা পার্লারে ওয়াক্সিং করে থাকেন। কিন্তু আপনি জানেন কি ওয়াক্সিং করার পূর্বে কিছু কাজ করা উচিত? এই কাজগুলো আপনার ত্বক আরও নরম কোমল করে তুলবে।

১। মাসিকের সময় ওয়াক্সিং এড়িয়ে চলুন

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে যে মাসিকের সময় ওয়াক্সিং না করানো ভাল। এই সময় ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল থাকে। যার কারণে ওয়াক্সিং করালে ত্বকে র‍্যাশ,লালচে দাগ হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় র‍্যাশের কারণে ব্যথা অনুভব হতে পারে। মাসিকের এক সপ্তাহের পূর্বে ওয়াক্সিং করুন।

২। বাসায় ওয়াক্সিং করার চেষ্টা করুন

পার্লারের চেয়ে ঘরে ওয়াক্সিং করা বেশি নিরাপদ। পার্লারের ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ওয়াক্সিং করার পূর্বে হাত এবং ওয়াক্সিং এর স্থানে ভাল করে পরিষ্কার করে নিন। সম্ভব হলে অ্যালকোহল অথবা অন্য কোন স্যানিটাইজার দিয়ে ওয়াক্সিং এর স্থান পরিষ্কার করে নিন। ব্যবহার শেষে এটি নষ্ট করে ফেলুন।

৩। এক্সফলিয়েটর অথবা শুষ্ক পণ্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন

এক্সফলিয়েটর অথবা স্ক্রাব আপনার ত্বককে আরও বেশি সেনসেটিভ করে তুলে। প্রয়োজন হলে ওয়াক্সিং করার এক সপ্তাহের পূর্বে এক্সফলিয়েট করিয়ে নিন। এছাড়া ত্বকে যেকোন ড্রাই প্রোডাক্ট ব্যবহার করা বিরত থাকুন ওয়াক্সিং করার পূর্বে।

৪। টোনার

ওয়াক্সিং এর র‍্যাশ দূর করার অন্যতম সহজ ঘরোয়া উপায় হল অ্যালকোহল টোনার। এই টোনার ত্বকের জ্বালাপোড়া দূর করে দেয়। এমনকি লোমকূপের ছিদ্র খুলে দিয়ে থাকে। একটি তুলোর বলে টোনার লাগিয়ে ওয়াক্সিং এর স্থানে লাগিয়ে নিন।

৫। গোলাপ জল

ওয়াক্সিং এর জ্বালাপোড়া, র‍্যাশ দূর করতে গোলাপ জলেও বেশ কার্যকর। ওয়াক্সিং করার পর ব্যায়াম করা এবং টাইট পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন। যদি জ্বালাপোড়া অনুভূত হয় তবে গোলাপ জল একটি তুলোয় ভিজিয়ে রেখে ত্বকে লাগান। এটি তাৎক্ষনিক জ্বালাপোড়া হ্রাস করে দেবে।

৬। পারফেক্ট ওয়াক্স ব্যবহার

দুই ধরণের ওয়াক্স রয়েছে একটি হার্ড ওয়াক্স আরেকটি সফট ওয়াক্স। হার্ড ওয়াক্স সাধারণত বিকিনির স্থান এবং মুখের জন্য প্রযোজ্য। সফট ওয়াক্স হাত এবং পায়ের জন্য বেশ ভাল। তাই ওয়াক্স ব্যবহার করার আগে দেখে নিন কোনটি এবং কোন স্থানে ব্যবহার করছেন।