মেইন ম্যেনু

ওয়ারিং পরিদর্শক ইকবল হোসেনের বিরুদ্ধে ঝাউডাঙ্গা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন

পল্লী বিদ্যূৎ ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিসের ওয়ারিং পরিদর্শক ইকবল হোসেনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিকালে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এলাকার দি্যূৎ এর সংযোগ প্রতাশী ৩০ জন গ্রাহকের পক্ষে বাশদাহ গ্রামের মৃত গফ্ফার আলীর পুত্র মোঃ মারুফ হোসেন।

প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে তিনি তার লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের জানান, আমার এলাকার ৩০ জন পল্লী বিদ্যূৎ এর মিটার প্রত্যাশী গ্রাহক দীর্ঘদিন ধরে হয়রানীর স্বীকার হয়ে আসছেন। নিয়ম অনুযায়ী মিটার নেওয়ার জন্য আবেদন করার পর ওয়ারিং পরিদর্শক ইকবল হোসেন পরিদর্শণ ও করেছেন। দীর্ঘ ২ মাস অতিবিাহিত হলে ও আমরা মিটারের জামানতের টাকা প্রদান করতে পারিনি। অথচ যারা আমাদের অনেক পরে আবেদন করেছেন তারা ইকালের নিকট মোটা অংকের টাকা উৎকোচ দিয়ে ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে তাদের মিটারের জামানতের টাকা জমা দিয়েছেন। আমরা তার চাহিদা মত অর্থ না দেওয়ার কারনে আমাদের মত শত শত গ্রাহক তারা তাদের জামানতের টাকা জমা দিতে পারছেন না। ওয়ারিং পরিদর্শক ইকবল হোসেন গ্রাহকদের সাথে বিভিন্ন সময় অসৌজন্য মুলক আচরণ ও করেন। এবং বলেন কোন সুপারিশ আমি বুঝিনা । আমাকে টাকা দিতে হবে এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোন লাভ হবে না।

মিটার সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে রান্না ঘর গোয়াল ঘর এবং বাথরুমে মিটারের সংযোগ দেওয়ার কোন নিয়ম নেই। কিন্তু ঐ দূর্নীতিবাজ পরিদর্শক সকল নিয়ম নীতি লংঘন করে ভবানীপুরের শের আলীর পুত্র হোসেন আলীর রান্না ঘরে এবং তলুইগাছার সাহেবুরের গোয়াল ঘরে মিটারের সংযোগ দিয়েছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে বিদ্যূৎ প্রত্যাশী ঐ এলাকার ৩০ জন গ্রাহকের নিকট থেকে দ্রুত জামানতের টাকা গ্রহন এবং দূর্নীতিবাজ ওয়ারিং পরিদর্শক ইকবল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অচিরেই ঝাউডাঙ্গা এলাকায় মানববন্ধন সহ বিভিন্ন ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হয়রানীর শিকার গ্রাহকদের মধ্যে নিতাই সেন,জাহাঙ্গির হোসেন,হায়দার আলী,নাজমা খাতুন, জাহানারা খাতুন,অঞ্জলী দাস প্রমূখ।