মেইন ম্যেনু

ওয়ার্নের সেরা আশরাফুল

ম্যাচ পাতানোর কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে অনেক দিন ধরেই ক্রিকেটের বাইরে আছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলেছেন তিন বছর আগে। ক্রিকেট বিশ্বের তো ভুলেই যাওয়ার কথা আশরাফুলের নাম। কিন্তু তেমনটা এখনো হয়নি। কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন ঠিকই মনে রেখেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানকে। বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচন করতে গিয়ে আশরাফুলকেই বেছে নিয়েছেন ওয়ার্ন।

২০১৩ সালে ম্যাচ পাতানোর কেলেঙ্কারিতে না জড়ালে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ভিন্নভাবেই লেখা হতো আশরাফুলের নাম। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ধুমকেতুর মতোই ক্রিকেট বিশ্বে হাজির হয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। সবচেয়ে কম বয়সে টেস্ট শতক করার রেকর্ডটি এখনো আছে আশরাফুলের দখলে। টেস্ট ও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকদের তালিকায় আশরাফুলের নাম আছে চতুর্থ স্থানে। নিষেধাজ্ঞার খাঁড়ায় না পড়লে হয়তো সবার ওপরেই থাকতেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ওয়ার্নেরও মনে হয়েছে যে, বাংলাদেশের যে ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তিনি বোলিং করেছেন, তাঁদের মধ্যে আশরাফুলই ছিলেন সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ।

টেস্ট ক্রিকেটে আশরাফুল দুইবার মুখোমুখি হয়েছিলেন ওয়ার্নের। দুটিই ২০০৬ সালে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে আশরাফুল করেছিলেন ২৯ ও ৪ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে আশরাফুলকে দুই ইনিংসেই আউট করেছিলেন ওয়ার্ন। ৬ ও ২৯ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরতে হয়েছিল ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানকে।

সম্প্রতি সব টেস্ট খেলুড়ে দলের সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচন করতে গিয়েই আশরাফুলের নাম উল্লেখ করেছেন ওয়ার্ন। ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে এসেছে ওয়ার্নের সবচেয়ে কঠিন দুই প্রতিপক্ষ শচীন টেন্ডুলকার ও ব্রায়ান লারার নাম। পাকিস্তানের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ার্ন বেছে নিয়েছেন সাঈদ আনোয়ারকে। ইংল্যান্ড থেকে এসেছে গ্রাহাম গুচের নাম। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচন করতে গিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছেন ওয়ার্ন। কিছুতেই আলাদা করতে পারেননি হ্যানসি ক্রনিয়ে ও জ্যাক ক্যালিসকে। রেখে দিয়েছেন দুজনের নাম। ওয়ার্নের কাছে শ্রীলঙ্কার সেরা ব্যাটসম্যান অরবিন্দ ডি সিলভা। আর নিউজিল্যান্ডের মার্টিন ক্রো।