মেইন ম্যেনু

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সহজ জয়

শ্রীলঙ্কার দেওয়া সহজ লক্ষ্যেকে তাড়া করে বড় জয় পেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেন পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে সবার শীর্ষে ক্যারিবিয়ারা।
টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে ৯ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে তিন ম্যাচে জয় পেল ক্যারিবীয়রা। ছয়টি জেতে লঙ্কানরা। আর বিশ্বকাপে সাতবারের দেখায় দুই জয়ের বিপরীতে পাঁচটিতেই হার মানে ও. ইন্ডিজ।

আজ রবিবার বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২২ রানের স্বল্প পুঁজি দাঁড় করায় লঙ্কানরা।

সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৫.২ ওভারে ৩৯ রান তোলেন জনসন চার্লস (১৩ বলে ১০) ও ফ্লেচার। ওয়ানডাউনে নামা মারলন স্যামুয়েলস মাত্র ৩ রান (১২ বলে) করেই সাজঘরে ফেরেন। দিনেশ রামদিন ১৩ বল মোকাবেলায় ৫ রান করে আউট হন।

তবে একাদশে সুযোগ পেয়েই নিজের সামর্থ্যের জানান দেন ক্রিস গেইলের পরিবর্তে ওপেনিংয়ে নামা ফ্লেচার। ৬৪ বলে ৮৪ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দেন তিনি। এতে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছক্কার মার। তার সঙ্গে ৮ বলে ২০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন আন্দ্রে রাসেল।

লঙ্কানদের হয়ে মিলিন্ডা সিরিবর্ধনে দু’টি ও বাকি উইকেটটি নেন জেফরি ভান্ডারসে।

এর আগে ক্যারিবীয়দের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় শ্রীলঙ্কা। দলীয় ৪৭ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে লঙ্কারা। তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৪৪ রান যোগ করে বিপর্যয় সামাল দেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও থিসারা পেরেরা।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই তিলকরত্নে দিলশানকে (১২) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন কার্লোস ব্রাথওয়েট। দলীয় সংগ্রহ ছিল ২০। ১২ রান যোগ হতেই রান আউটের ফাঁদে পড়েন আরেক ওপেনার দিনেশ চান্দিমাল (১৬)।

পাওয়ার প্লে শেষে সপ্তম ওভারের শুরতেই স্যামুয়েল বদ্রির বলে আন্দ্রে ফ্লেচারের তালুবন্দি হন লাহিরু থিরিমান্নে (৫)। এরপর ইনিংসের নবম ওভারে আবারো উইকেট উল্লাসে মাতেন বদ্রি। প্রথম বলেই ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন চামারা কাপুগেদারা (৬)।

একই ওভারের চতুর্থ বলে বদ্রির তৃতীয় শিকারে পরিণত হন মিলিন্ডা সিরিবর্ধনে (০)। ষষ্ঠ উইকেটে পেরেরার সঙ্গে ৪৪ রানের জুটিতে প্রাথমিক চাপ সামলে নেন অধিনায়ক ম্যাথিউস (২০)। আর ২৯ বলে ৪০ রানের ইনিংসে দলের মাঝারি স্কোরের ভিত গড়ে দেন পেরেরা। ডোয়াইন ব্রাভোর করা শেষ ওভারের পঞ্চম বলে তিনি আন্দ্রে রাসেলের হাতে ধরা পড়েন।

ক্যারিবীয়দের হয়ে বদ্রি তিনটি, ব্রাভো দু’টি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট লাভ করেন রাসেল ও ব্রাথওয়েট।