মেইন ম্যেনু

‘ও যে আচমকা আমার শরীরটা এ ভাবে ছিঁড়ে খাবে, ভাবিনি!’

একে অপরকে ভালোবাসেন। গভীর প্রেম। তার মানে এই নয় যে, সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনার সম্পত্তি হয়ে গিয়েছে। তাঁকে যেভাবে ইচ্ছে ব্যবহার করলেই হল। স্রেফ এই ভুল ধারণার জন্যই ভেঙে যায় বহু সম্পর্ক। তিক্ততা তৈরি হয় দ্রুত।

এই যুবতীর ক্ষেত্রেও ঠিক এটাই ঘটেছিল। বয়ফ্রেন্ড তাঁকে নিজের সম্পত্তি ভেবে ফেলেছিল। যার নির্যাস, ধর্ষিত হতে হল তাঁকে। একটা সুন্দর সম্পর্ক মুহূর্তে বিভীষিকা। কিন্তু ছেলেটিকে তো ভালোবেসেছিলেন তিনি।

‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ এক্সপার্ট অ্যাডভাইজে ওই যুবতী লিখেছেন, কয়েক মাস আগে ওই যুবকের সঙ্গে আমার আলাপ হয়। আমরা একে অপরের প্রতি টান অনুভূব করি। কিন্তু ওই টান আসলে প্রেম কিনা, তা বুঝতে পারার আগেই একদিন ও আমায় জোর করে কিস করল। খুব রেগে গিয়েছিলাম। কথা কাটাকাটিও হয়। তখন ও ক্ষমা চেয়ে নেয়। আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিই, আমাদের সম্পর্কটা দুজনের পরিবার না জানা পর্যন্ত কোনও রকম যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হব না। প্রায় ৭ মাস ভালোই কাটল। আমি ওর বাড়ি যেতাম। আমরা অনেকক্ষণ গল্প করতাম। একদিন হঠাত্‍‌ ও আমাকে জোর করল। আমি কিছু বলার আগেই জাস্ট ছিঁড়ে খেল আমার শরীরটা। কোনও রকম অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজনই মনে করল না। আমি জানি, ও ছেলেটা ভালো। কিন্তু সব কিছুতেই তাড়াহুড়ো করে। আমি এখনও আমার মনকে সায় দিতে পারছি না। আমার বিবেক বলছে, সম্পর্কটা এখানেই শেষ করে দিই। আগেই সতর্ক হয়ে যাই। আবার ওর সঙ্গে কাটানো সেই সোনালি মুহূর্তগুলোও ভুলতে পারছি না। কী করব?

এক মনোবিদ ওই যুবতীকে উত্তরে জানিয়েছেন, প্রথমত, আমি খুবই দুঃখিত যে তোমার সঙ্গে এরকম খারাপ একটা ঘটনা ঘটেছে। ছেলেটির তোমার অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল। কারও অধিকার নেই যে, তোমায় জোর করে, সে যতই গভীর হোক সম্পর্ক। ছেলেটির উচিত ছিল, তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করা। এক্ষেত্রে তোমার বিবেক যা বলছে, সেটাই ঠিক। সতর্ক থাকাটাই ঠিক।

তোমার কাছে কয়েকটি অপশন রয়েছে। এক, তুমি পুলিশে অভিযোগ জানাতে পারো। কারণ, এটা ধর্ষণেরই সামিল। এই কথাটা তুমি ছেলেটিকেও জানাতে পারো। মা-বাবার সঙ্গে আলোচনা করো। এবং যদি সেদিনের মিলন অসুরক্ষিত হয়, তাহলে অবিলম্বে জরুরি ব্যবস্থা নাও। একই সঙ্গে HIV টেস্টও করে নিও।