মেইন ম্যেনু

ও রাজাকারের ছেলে: শেখ সেলিম

২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, ‘ওই সময় রাজাকারে ছেলে লতিফুর রহমান প্রধান উপদেষ্টা ছিল। ওর বাপ ছিল একটা রাজাকার। ও রাজাকারের ছেলে। সে সর্বনাশ করেছে। ব্যালট বাক্স চুরির ব্যবস্থা করে খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় এনেছে। আর শেখ হাসিনাকে হারিয়ে দেয়ার পথ প্রশস্ত করেছে।’

রোববার রাতে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ জেলা সমিতি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তার পুত্র তারেক রহমান ও ওই সময়ে খালেদা মন্ত্রিসভার সবাই জড়িত। এখন সময় এসেছে খালেদা, তারেক ও তার মন্ত্রিসভার সবার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়ার।’

শেখ সেলিম বলেন, ‘একজনকে হত্যার অভিযোগে পাকিস্তানের ভুট্টোর যদি ফাঁসি হতে পারে, তাহলে খালেদা জিয়ার বিচার হবে না কেন? খালেদা, তারেক ও তার মন্ত্রিসভার সবাই মিলে ২১ আগস্ট একজন নয় ২৪ জন মানুষকে হত্যা করেছে। এর সঙ্গে এরা সবাই জড়িত ছিল। আল্লাহ রাখলে কেউ মারতে পারে না। তাই শেখ হাসিনা বেঁচে গেছেন। খন্দকার মোস্তাক ও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে আমরা চার্জশিট দিতে পারিনি। কারণ তারা মৃত ব্যক্তি। বাংলাদেশের আইনে মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া যায় না। তবে এখন খালেদা জিয়াসহ তার মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়ার সময় এসেছে।’

তিনি সম্প্রতি রাজনীতির কথা তুলে ধরে বলেন, ‘স্বাধীনতায় বিশ্বাসী কেউ ভোগের রাজনীতি করে না। তারা ত্যাগের রাজনীতি করে। বঙ্গবন্ধু আজীবন ত্যাগের রাজনীতি করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু শুধু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালীই নন। তিনি লক্ষ বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী। যতই ষড়যন্ত্র হোক বঙ্গবন্ধুর নাম কোনো দিন মুছে ফেলা যাবে না।’

সংগঠনের সভাপতি শেখ কবিরের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ফারুক খান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল প্রমুখ।



« (পূর্বের সংবাদ)