মেইন ম্যেনু

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের ঈদ আনন্দ

প্রতিটি উৎসবই আনন্দের আর সে উৎসব যদি হয় ঈদ তাহলে তো কথাই নেই। সব শ্রেণির মানুষ ঈদের কেনাকাটাসহ বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষে রাত পোহাতেই ঈদের আমেজ শুরু হবে। সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে নেই, ক্যাম্পাসগুলোর পথের মোড়, জমজমাট আড্ডার স্থান ও আবাসিক হলগুলোয় গেলেই স্বাভাবিক চোখ পড়বে ঈদ অনন্দের ছাপ।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো আমাদের দেশেও নানা আনন্দ-উৎসবের আয়োজন হয়ে থাকে। এসব উৎসব নানারকম উপলক্ষকে কেন্দ্র করেই অনুষ্ঠিত হয়। আর তার মধ্যে হচ্ছে ঈদ-উল- আজহা একটি। মানে কোরবানির ঈদ। ঈদ ছোট-বড়, ধনী-গরিবের প্রভেদ ভুলিয়ে দেয়। রাজা-প্রজা নির্বিশেষে একসঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। শামিল হন ঈদের আনন্দময় উৎসবে।

এদিকে এই প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন উপাচার্য নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তীব্র ভালোবাসা ও গভীর মমত্ববোধ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিন্মপদস্থ কর্মচারীদের সাথে ভালবাসা, প্রীতি ও সৌহার্দ-সহমর্মিতার সাথে ঈদ আনন্দ বিনিময় করার লক্ষ্য নিজ ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপন করবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি স্বপরিবারে এবার ঈদ পালন করছেন তাঁর নিজ ক্যাম্পাস ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।

উপাচার্যের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, তিনি পরিবার পরিজনদের কে সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে অবস্থানরত স্থানীয় লোকজনদের সাথে এবারের ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। সদা হাস্যেজ্জ্বল, মিষ্টভাষী, সাদা মনের মানুষ উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত গার্ড, আনসার,নিরাপত্ত্বা কর্মীরা যারা প্রতিনিয়ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নিজের সজাগ দৃষ্টি রাখেন এবং ত্রিশালের মানুষজনের সাথে সাম্য-মৈত্রী আর ভালবাসার অটুট বন্ধনে নিজের ক্যম্পাসে ঈদের আনন্দ উপভোগ করার সিদ্ধান্ত আমাকে নতুন এক অভিজ্ঞতা উপহার দেবে। ধনী-গরিবের ব্যবধান ভুলে ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপনের অপূর্ব কিছু সুন্দর মুহুর্তের স্মৃতি ফ্রেমে বাঁধে রাখতে চান তিনি।