মেইন ম্যেনু

কমপক্ষে ৪০০০ কোটি ডলারের সম্পদের মালিক পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘দুর্নীতিবাজ’বলে আখ্যা দিয়েছে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ।

মার্কিন রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা এডাম সুবিন বলেন, পুতিনের নীতিমালার কারণে তার মিত্ররা ধনী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে এবং তিনি বিরোধীদের কোণঠাসা করতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে মার্কিন বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিনি। রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহযোগীদের উপর ইতোমধ্যেই অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এই প্রথমবারের মত সরাসরি পুতিনকেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করার কথা চিন্তা করছে দেশটি।

বিবিসির এক অনুসন্ধানে এই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ।

পুতিনের মুখপাত্র বলেন, “যে সকল কথা বলা হচ্ছে, এর কোনো কথারই উত্তর দেয়ার প্রয়োজনীয়তা তারা দেখছেন না। কারণ এর পুরোটাই কল্পকথা।”

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, পুতিন যে ধরনের অভিজাত জীবন যাপন করেন কেবল অত্যন্ত ধনাঢ্য ব্যক্তির পক্ষেই তা সম্ভব। এমনকি রাশিয়ার বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিতে পুতিনের গোপন শেয়ার আছে বলে এই অনুসন্ধানে জানা গেছে।

বিবিসির সঙ্গে আলাপকালে রুশ সাংবাদিক স্টানিস্লা বেলকভস্কি বলেন, পুতিনের অন্তত ৪০ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি আছে। ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চিত যে, ইউরোপের অন্যতম ধনী ব্যক্তি পুতিন। শুধু তাই নয়, হয়ত পুরো পৃথিবীরও অন্যতম একজন ধনী ব্যক্তি সে।

২০০৭ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এক প্রতিবেদনে পুতিনের অঢেল সম্পদ আছে এমন দাবি করা হয়েছিল।