মেইন ম্যেনু

করমুক্ত আয়সীমা বাড়লো

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬ রহিত করে আইন প্রণয়নের জন্য আনীত বিল ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্স করপোরেশন বিল-২০১৫ এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২’ এর সংশোধনকল্পে আনীত বিল ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক (সংশোধন) বিল-২০১৫’ পাস হয়েছে।

বুধবার রাতে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিল দু’টি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে বিল দু’টির উপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র কয়েকজন সংসদ সদস্য জনমত যাচাই-বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাব জমা দেন। প্রস্তাবগুলো কণ্ঠাভোটে নাকচ হয়।

‘ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্স করপোরেশন বিল, ২০১৫’-এর বিরোধিতা করে জনমত যাচাই-বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাব আনয়নকারীদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটি দীর্ঘদিনের পুরনো আইন, সামান্য কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে। আর ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্স করপোরেশন থেকে আমরা যথেষ্ট সাহায্য পেয়ে থাকি। বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের বেসরকারিখাতে প্রায় বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতেই বিলটি আনা হয়েছে।’ তবে বিলটির ওপর জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের আনীত একটি সংশোধনী গ্রহণ করেন অর্থমন্ত্রী।

এরপর সংসদে পাস হওয়া ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক (সংশোধন) বিল, ২০১৫’ আইনটি আনা হয় ২০১২ সালে প্রণীত মুল আইনের ধারা ২ এর দফা (৪৮) এ সংশোধন কল্পে। বিলটির ওপর আনীত জনমত যাচাই-বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাব সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মূল্য সংযোজন কর অত্যন্ত উত্তম একটি আইন। আগে যাদের বার্ষিক আয় ২৪ লাখ টাকার কম ছিল, তাদেরকে মূল্য সংযোজন না দিয়ে টার্নওভার দেয়ার বিধান ছিল। ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে এবারের সংশোধনীতে ২৪ লাখ টাকার স্থলে ৩০ লাখ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে যাদের বার্ষিক আয় ৩০ লাখ টাকার কম, তাদের মূল্য সংযোজন কর দিতে হবে না। ফলে এই বিলটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই বিলটির ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কিংবা সংশোধনীর কোনো প্রয়োজন নেই।’

এই বিলে “তালিকাভূক্তিসীমা” অর্থ ‘কোনো ব্যক্তির অর্থনৈতিক কার্যক্রমের টার্নওভার প্রতি ১২ মাস সময়ে ২৪ লাখ টাকার সীমা, কিন্তু নিম্নবর্ণিত মূল্য উহার অন্তর্ভূক্ত হবে না’ বাক্যের ২৪ সংখ্যাটির স্থলে ৩০ সংখ্যাটি প্রতিস্থাপন করা হয়।