মেইন ম্যেনু

করাচির উচ্চবিত্ত নারীরা রাতে কি করেন? (ভিডিও)

পাকিস্তান আজ এক বিভীষিকার নাম। প্রতিদিন দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মারা যাচ্ছে রাজনীতির নগ্ন খেলায়।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেয়া থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সম্পর্কের কারণে জন্ম থেকেই দেশটি নানামুখী টানাপোড়েনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে।

আর এই দীর্ঘ টানাপোড়েনের সুযোগ নিয়ে ক্রমশ দেশটিতে বেড়ে উঠেছে ধর্মীয় মৌলবাদী শক্তি। অথচ এই দেশটিই ছিল আল্লামা ইকবাল ও ফয়েজ আহমেদের মতো গুনী শিল্পীর দেশ।

ধর্মীয় মৌলবাদী রাজনীতির কারণে দেশটির নারীরা প্রায় অবরুদ্ধ জীবন যাপন করে, যা আমার বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের কল্যাণে জানতে পেরেছি। নারীদের পাথর ছুড়ে হত্যা কিংবা পুড়িয়ে মারার ঘটনা পাকিস্তানে হরহামেশাই হয়ে থাকে পারিবারিক সম্মানের নামে।

যে কারণে অন্যান্য দেশের নারীদের তুলনায় পাকিস্তানের নারীরা কিছুটা পিছিয়ে। তাই বলে যদি তাদের এড়িয়ে যাওয়া হয় তাহলে বোধহয় বেশ ভুলই হবে।

হাজারো সামাজিক অসঙ্গতি এবং পর্দাপ্রথার মাঝেও দেশটির বিখ্যাত করাচি শহরের নারীরা তৈরি করে নিয়েছে নিজেদের মতো সময়। যে সময়টা শুধুই তাদের। সেই সময়ে তাদের জন্য নির্ধারণ করা থাকে না কোনো সামাজিক বিধি নিষেধ।এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে করাচি বেশ পুরনো এবং প্রসিদ্ধ শহর। শহরের বেশিরভাগ বাড়িগুলোর সামনের রাস্তাতে একটি ছোটো খাটিয়া দেখতে পাওয়া যায়, যেখানে বাড়ির পুরুষেরা বসে আড্ডা কিংবা বিভিন্ন কাজের ভেতর দিয়ে সময় কাটান। সেখানে নারীদের বসা সম্পূর্ণ নিষেধ।

অথচ এই খাটিয়াতেই করাচির নারীরা আড্ডা দিতে বসেন এবং সেই আড্ডা হয় বেশ জমজমাট। প্রশ্ন উঠতে পারে, করাচির নারীরা কখন এই আড্ডা দেয়।

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে করাচির বুকে গভীর রাত নামার জন্য। রাতের করাচি শহরে যখন সবাই ঘুমিয়ে যায়, বড় বড় সড়কগুলোতে রাতের কুকুরের চিৎকার আর গাড়ির শব্দ ছাড়া কিছু শোনা যায় না তখনই একটু একটু করে ঘরের দরজা গুলো খুলে যায়।

সেই খোলা দরজা দিয়ে রংবেরংয়ের পোশাক আর গহনা পরিহিত নারীরা বের হয়ে আসেন। যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন খাবার-দাবার নিয়ে বাড়ির সামনের খাটিয়াতে জমিয়ে বসে যান তারা।

এরপর শুরু হয় গল্প, আড্ডা আর খাওয়া-দাওয়া। যে কাজ করাচির নারীরা দিনের আলোতে করতে পারছেন না সামাজিক বিধি নিষেধের কারণে, আজ নিজেদের বঞ্চিত করবে না বলে তারা রাতকে বেছে নিয়েছেন নিজেদের আনন্দের জন্য।। করাচির তরুণীরা করাচি নাইট ক্লাবের দৃশ্।

ভিডিওটি দেখতে চাইলে নিচের ক্লিক করুন