মেইন ম্যেনু

কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে নিজেকে নিয়ে আসুন সামনের সারিতে

কর্মক্ষেত্রে আপনার পার্ফরমেন্স কি দিনে দিনে লোপ পাচ্ছে? আপনি কি আগের মত মনোযোগ দিতে পারছেন না? সারাদিনই পরিশ্রম করছেন কিন্তু দিন শেষে দেখছেন, কাজে ভুল রয়েই যাচ্ছে? আপনার কর্মক্ষমতা কি হ্রাস পাচ্ছে? দুশ্চিন্তার কিছু নেই। পার্ফরমেন্স কোন মানুষেরই সবসময় একরকম থাকে না। হারানো কর্মক্ষমতা ফিরে পাওয়া সম্ভব।

আসুন জেনে নিই, মনোবিজ্ঞানীরা কী বলছেন এব্যাপারে। মনোবিজ্ঞানী সুসান কে পেরি পিএইচডি বলেছেন কীভাবে ৭টি উপায়ে বাড়াবেন কর্মক্ষমতা।

১। জরুরী কাজে কম সময় ব্যয় করুন
নিজেকে নিজেই একটি ডেডলাইন দিন। কাজটি জরুরী, কিন্তু সময় আছে বলে যদি ফেলে রাখেন তাহলে শেষ মুহুর্তেও দেখা যাবে অনেক কাজ বাকি। তখন তাড়াহুড়া করে কাজ করলে ভাল হবে না কাজটি। তাই অযথা সময় ব্যয় করবেন না। তার চেয়ে বরং সময় বেঁধে দিন নিজেকে। প্রতিদিন আপনার জরুরী কাজগুলো নির্দিষ্ট করুন, একটা টার্গেট ঠিক করুন কতটা সময়ের মধ্যে কাজগুলো শেষ করবেন। এতে আপনার কাজের গতি বাড়বে, কাজও ভাল হবে।

২। নিজের সর্বোচ্চ সহ্য ক্ষমতা ব্যবহার করুন
প্রতিদিন নিজের পরিশ্রম করার ক্ষমতাকে বাড়ানোর চেষ্টা করুন। আরেকটু বেশী কাজ দিন নিজেকে। অল্প অল্প করে বাড়ান। আজ অনেক ক্লান্ত? রোজকার ব্যায়ামটা আর করবেন না। না। এভাবে অভ্যাসটা বদলাবেন না। একদিনের ছাড় আপনাকে আরও অনেকদিন ছাড় দিতে বাধ্য করবে। বরং ১ ঘন্টার জায়গায় ৩০ মিনিট করুন। কিন্তু কাজটা অবশ্যই করুন।

৩। সব কিছু গুছিয়ে নিন
আপনি যখন কোন কাজে বসেন ভেতরে ভেতরে কি তাড়া বোধ করেন যেন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয় নি? একটা কাজের ফাঁকে কি এমন ছোট ছোট টুকুটাকি কিন্তু জরুরী কাজেরা আপনাকে উদ্বিগ্ন করে? এসব কাজের একটা লিস্ট করে ফেলুন। একদিন সময় নিয়ে গুছিয়ে করে ফেলুন কাজগুলো। অথবা সেগুলো এমন পর্যায়ে নিয়ে আসুন যাতে করা খুব সহজ হয়। জরুরী বড় কাজের মাঝে মনোযোগ নষ্ট করতে দেবেন না এই কাজগুলোকে।

৪। ক্যাফেইন গ্রহণ করুন
ক্যাফেইন গ্রহণ কিন্তু পরিমাণ মত হলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ নয়। ক্যাফেইন শরীরে শক্তি জোগায়। আপনি অবশ্যই কফি আসক্ত একজন মানুষে পরিণত করবেন না নিজেকে। কিন্তু কিছু বিশেষ কাজের আগে নিজেকে তরতাজা করতে ক্যাফেইন গ্রহণ করুন।

৫। সরাসরি ‘না’ বলুন
নতুন কোন কাজ যদি আসে তাহলে খেয়াল করে দেখুন সেটা আপনার ১-১০ এর মধ্যে জরুরী কাজগুলোর সাথে কোন বিপত্তি তৈরি করে কিনা! অথবা বাড়তি প্রেসার তৈরি করে কিনা। কোন সমস্যা না থাকলে কাজটি গ্রহণ করুন। নাহলে বাদ দিন। কারণ একটি বাড়তি কাজ আপনার দরকারি কাজগুলোর মান খারাপ করতে পারে।

৬। অমনোযোগের সাথে মেইল পড়বেন না
আপনার মেইলে অবশ্যই কোন গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ রয়েছে আপনার জন্য। যখন পড়বেন অবশ্যই তার রিপ্লাই দেবেন বা দরকারি পদক্ষেপ নেবেন। যদি তা না করতে চান, যদি এতটাই অবসাদ বোধ করেন তাহলে পরে পড়ুন। অযথা সময় নষ্ট করবেন না।

৭। নিজের ভবিষ্যতকে একটা চিঠি লিখুন
নিজেকে ভবিষ্যতে কোন অবস্থানে দেখতে চান আপনি? তাকে জানান তার জন্যই করছেন কাজগুলো। অনেক অপছন্দের কাজ সহজ হয়ে যাবে করা।