মেইন ম্যেনু

কর্মক্ষেত্রে সুখি হতে চাইলে…

কর্মক্ষেত্রে নিজেকে সুখি সুখি ভাব বজায় না রাখতে পারলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কর্মী যদি মানসিকভাবে সুখী থাকে তাহলে উপৎটপাদনের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন একদল গবেষক। ‘হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তিনজন অধ্যাপক অ্যান্ড্রূ অসওয়াল্ড, ইউজেনিও প্রোটো এবং ডেনিয়েল গ্রয়ি এক গবেষণাপত্রে জানিয়েছেন, কর্মী যদি মানসিকভাবে সুখী থাকে তাহলে উৎপাদন বৃদ্ধির পরিমাণ শতকরা ১২ শতাংশ বেড়ে যায়। কাজেই কর্মক্ষেত্রে কীভাবে নিজেকে সুখি করা যায় তারই কয়েকটি উপায় বাতলে দেয়া হলো।

কর্মক্ষেত্রে ভালো বন্ধু খুঁজে নিন

একজন কর্মী যখন তার কাজের জায়গায় একজন ভালো বন্ধু খুঁজে পান তাহলে তিনি খুব মাঝারি মানের কর্মী থেকে উত্তীর্ণ হতে পারেন দক্ষ কর্মীতে৷ গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব কর্মীরা তাদের কর্মস্থলে ভালো বন্ধু খুঁজে পেয়েছেন তারা কাজ করেন আনন্দের সঙ্গে এবং কাজ করে তারা তৃপ্তিও পান৷

হাসি মুখে থাকুন

কর্মক্ষেত্রে হাসি মুখে থাকার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মুখে হাসি থাকলেই কাজের জায়গা আরও সুখী-সুখী হয়ে উঠবে৷ কারণ হাসি মুখ থাকলে শরীর থেকে পেপটাইড নিঃসৃত হয়৷ কর্মী বন্ধুদের ধন্যবাদ জানানোতেও কাজ হয় অনেক বেশি৷ কর্মক্ষেত্রে কেউ যদি কোনও কাজের জন্য কাউকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তাহলে সেই ব্যক্তি অত্যন্ত সুখী এবং কৃতজ্ঞ হয়ে ওঠেন এবং তার ফলে তিনিও তার কর্মস্থলে নিজের ব্যবহার বদল ঘটিয়ে সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং আরও বেশি উপকারী হয়ে ওঠেন৷

যে যেমন, তেমনই থাকতে দিন

কর্মক্ষেত্রে যে কোনও কর্মীর ব্যক্তিত্ব এবং আচরণ যদি সংস্থার অপছন্দ হয়, তাহলে কয়েক পা পিছিয়ে আসা উচিত৷ আঙুল তুলে কোনও জবাব না দিয়ে শান্তভাবে তার সঙ্গে কথা বললে পরিবেশটা অনেক বেশি সুখের হবে৷ সেই কর্মীও বুঝতে পারবেন কোথায় তার ভুল হচ্ছে৷

খোলাখুলি হয়ে উঠুন

সংযোগ এবং ফিডব্যাক যত সরাসরি হবে তত ভালো৷ কর্মী নিয়োগের সময়ই তার কাছে কী আশা করা হচ্ছে এটা স্পষ্ট রেখে দিলেই কর্মস্থানের সুখী-সুখী ভাব নষ্ট হবে না৷