মেইন ম্যেনু

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের দুই ছবি

আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ২১ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলবে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। ওই দিন কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চন, বিদ্যা ব্যালন, শর্মিলা ঠাকুর, মৌসুমি চ্যাটার্জি। তবে শ্যুটিং-এর ব্যস্ততার কারণে বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

মঙ্গলবার কলকাতার নন্দন-২ সিনেমা হলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব অত্রি ভট্টাচার্য। এদিনের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভেলের চেয়ারম্যান রঞ্জিত মল্লিক, অভিনেত্রী মুনমুন সেন, পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী, অভিনেতা অরিন্দম শীল প্রমুখ।

সরকারি ভাবে ঘোষণা না দিলেও পাকিস্তানি ছবি ‘মান্তো’ উদ্বোধনী ছবি হিসেবে দেখানো হতে পারে।

আট দিন ধরে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইথিওপিয়া, জার্মানি, গ্রীস, জাপান, ফিলিপিন, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, তাইওয়ান, স্পেন সহ বিশ্বের ৬১ টি দেশের মোট ১৪৯ টি ছবি দেখানো হবে এই উৎসবে।

এবারের এই চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের মোট দুইটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। পরিচালক সুমন ধরের ‘আমি ও আইসক্রীম ওয়ালা’ এবং মনসুর আলী পরিচালিত ‘সংগ্রাম’।

প্রসঙ্গত ২০১৪ সালে মুক্তি পায় সংগ্রাম চলচ্চিত্রটি। মুক্তিযুদ্ধে প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ছবিটিতে অভিনয় করেছেন মডেল ও অভিনেত্রী রুহী। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক আমান। একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা অনুপম খের।

অন্যদিকে চলতি বছরেই মুক্তি পায় ‘আমি ও আইসক্রিম ওয়ালা’ চলচ্চিত্রটি। শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগরের গল্পে নির্মিত এই ছবিটিতে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, পাপিয়া আলি সরকার, মিছিল প্রমুখ।

অত্রি ভট্টাচার্য জানান গত বছরের মতো এবারও প্রতিযোগিতামূলক একটি অনুষ্ঠান থাকছে। নারী চিত্র পরিচালকদের তৈরি ছবি গুলিকে নিয়েই সেই প্রতিযোগিতা হবে। প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ ছবিটি পাশাপাশি সেরা পরিচালককেও আর্থিক ভাবে পুরস্কৃত করা হবে।

সাধারন মানুষের কাছে ভালো সিনেমা দেখানোর সুযোগ তৈরি করে দিতে নন্দন, শিশির মঞ্চ, রবীন্দ্রসদনসহ কলকাতার ১২ টি সিনেমা হল খুলে দেওয়া হচ্ছে।