মেইন ম্যেনু

কলপ করা ছাড়াই দূর করুন পাকা চুলের যন্ত্রণা

মধ্যবয়সে চুল পেকে যাওয়া শুরু হলেই কলপের শরণাপন্ন হন অনেকে, কেউ বা পার্লারে গিয়ে চুল ডাই করিয়ে আসেন। কিন্তু প্রচুর ক্ষতিকর এসব রাসায়নিক আপনার চুলের আরও বারোটা বাজিয়ে দেয়। আসুন, জেনে নেই পাকা চুলের সমস্যা সমাধানের একেবারে প্রাকৃতিক একটি উপায়!

বয়স হবার প্রমাণ দেখা যায় কালো চুলের মাঝে সাদার উঁকিঝুঁকিতে। স্ট্রেস, অসুস্থতা, বংশগতি অনেক কারণেই কম বয়সেও চুল পেকে যেতে পারে। একদম প্রাকৃতিক একটি উপায়ে আপনার পাকা চুল কয়েক সপ্তাহের মাঝেই চোখের আড়াল হয়ে যাবে। আর এই কাজটি করার জন্য আপনার রান্নাঘরে থাকা নিরীহ একটি উপাদানই যথেষ্ট।

কি সেই উপাদান?

তা হলো আলুর খোসা! হ্যাঁ, রান্নাবান্নার পর যে আলুর খোসা পরে থাকে সেটা দিয়েই তৈরি হবে এই প্রাকৃতিক “ডাই”।

দেখে নিন এর জন্য কী কী লাগবে।
৫/৬টি বড় আলুর খোসা-
সসপ্যান
ঝাঁঝরি
পুরনো শ্যাম্পুর বোতল
চুলে ডাই দেবার ব্রাশ
ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার

তোয়ালেযা করতে হবে

১) সসপ্যানের ভেতরে এক কাপ আলুর খোসা নিন। এতে যোগ করুন দুই কাপ পানি এবং সসপ্যান ঢেকে দিন। জ্বাল বাড়িয়ে দিয়ে পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে ২০-৩০ মিনিট রান্না হতে দিন আলুর খোসাগুলো। চুলা বন্ধ করে দিন।

২) একটু ঠাণ্ডা হলে পানিটুকু ঝাঁঝরি দিয়ে আলাদা করে ঢেলে নিন একটি বোলে। খোসা ফেলে দিন। এই পানিটুকু ঠাণ্ডা হলে একটা পুরনো, পরিষ্কার শ্যাম্পুর বোতলে ঢেলে নিন।

৩) ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনিং করে নিন চুল। এরপর কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলে চুল ধুয়ে নিন আলুর খোসার ডাইটি দিয়ে। এটা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন না। চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর চুল শুকিয়ে ফেলুন।

৪) এইভাবে আলুর খোসার ডাই দিয়ে প্রতিদিন চুল ধোয়ার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন চুলে কন্ডিশনারও ব্যবহার করবেন কারণ পাকা চুল বেশি নাজুক হয়ে থাকে। তা করতে না পারলে সপ্তাহে অন্তত ২-৩দিন এই ডাই দিয়ে চুল ধুতে হবে।যদি আলুর গন্ধ বেশি বাজে লাগে তবে এক ফোঁটা সুগন্ধি এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে দিতে পারেন এর মাঝে। রাসায়নিক ডাইয়ের মতো একদিনে পাকা চুল দূর হবে না ঠিক। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ বা মাসখানেক নিয়মিত ব্যবহারে পাকা চুল আর দেখা যাবে না।