মেইন ম্যেনু

কলারোয়া, সাতক্ষীরার কিছু খবর :

কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ এক মহিলা আটক

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৩৪ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মহিলাকে আটক করেছে থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম সাংবাদিকদের জানান, কলারোয়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সরদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মধ্যে থেকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এক মহিলাকে আটক করেন। এসময় পুলিশ তার কাছ থেকে ৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। আটককৃত মহিলা হলো- যশোর কোতয়ালী থানার সুতীঘাটা গ্রামের আশ্বনী ধরের মেয়ে লিলিমা ধর (৩৪)। এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা নং-৩৩(৬)১৫ হয়েছে।

কলারোয়ায় গাঁজাসেবনকালে আটক ৩
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৩ গাঁজাসেবীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম সাংবাদিকদের জানান, কলারোয়া থানার এসআই কেএম মোয়াম্মেজ হোসেন, এসআই সোয়েব আলী ও এএসআই জিন্নাত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে শনিবার রাতে পৌর সদরের মুরারীকাটি গ্রামের আজিবার রহমানের ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৩৫), গাড়াখালী গ্রামের শফিকের ছেলে আলমগীর হোসেন (২৫) ও পৌর সদরের তুলসীডাঙ্গা গ্রামের আঃ গফ্ফারের ছেলে মুকুল গাজী (২৩)। থানা পুলিশ ওই ৩ জনের কাছ থেকে ১০ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করেছে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা (নং-৩৪(৬)১৫) দায়ের হয়েছে।

কলারোয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ॥ আটক-১
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্বামীর অনৈতিক কাজ দেখে ফেলায় এবং তার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীসহ সহযোগিদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে। খবর পেয়ে খোরদো ফাড়ির ইনচার্জ এসআই তরিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন। এসময় নিহত গৃহবধূর শ্বশুর নাসির উদ্দিনকে পুলিশ আটক করে। স্ত্রী হন্তা স্বামী উজ্জল সরদার ও তার সহযোগি সিমু খাতুন পালিয়ে যায়। থানা পুলিশ রোববার নিহত গৃহবধূ নাসরিন নাহার সুমির (২২) লাশ সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করেছে। রোববার বেলা ১২টায় নিহত গৃববধূর ভাই মহিবুর রহমান ও মাতা মনিরা বেগম সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন সরদার (৩০) এর সাথে তার কন্যা নাসরিন খাতুনের ইসলামী সরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। এর পরে তাদের কোল জুড়ে একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। ছেলেটির নাম নাহিম হোসেন (৩ বছর)। এরমধ্যে উজ্জ্বল হোসেন ভাইয়ের বউয়ের (ভাবী) সাথে জড়িয়ে পড়ে পরকীয়ায়। ঘটনার দিন তাদের অনৈতিক কর্ম দেখে ফেলাই কাল হয় নাসরিন নাহার সিমুর। স্বামী উজ্জলের অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় স্ত্রী নাসরিন নাহার সুমিকে উজ্জল ও ভাবী সিমু পিটিয়ে হত্যা করে ঘরের মধ্যে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা বলে এলাকায় প্রচার চালায়। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা (নং-১৩/১৫)দায়ের হয়েছে। তবে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট পাওয়ার পর পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসবে এটি হত্যা, না আত্মহত্যা।