মেইন ম্যেনু

কলারোয়ায় শুভ মহালয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দূর্গা পূর্জার আনুষ্ঠানিকতা শুরু

জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ কলারোয়া উপজেলার পূজা মন্ডপে চলছে নানা আয়োজন এবং প্রস্তুতি। শিল্পের ছোঁয়া তৈরী হচ্ছে দেবী দূর্গার প্রতিমা। ৩০ সেপ্টেম্বর শুভ মহালয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দূর্গা পূর্জার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

এবার কলারোয়া উপজেলা পৌর সদরসহ ১২ টি ইউনিয়নের পারিবারিক ও সার্বজনীন মিলিয়ে মোট ৪০টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পৌর সদরের ৮টি, বাকি ১২টি ইউনিয়নের ৩২টি পূজা মন্ডপে দেবী দূর্গা বরণের আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যে দেবী দূর্গার আগমনী বার্তায় বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে উৎসবের আমেজ বইতে শুরু করেছে।

কলারোয়া পৌর সদরের তুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া পূজা মন্ডপ, তুলসীডাঙ্গা গোয়ালঘাটা পূজা মন্ডপ, মুরারীকাটি উত্তর পালপাড়া পূজা মন্ডপ, মুরারীকাটি দক্ষিণ পাড়া পূজা মন্ডপ, মুরারীকাটি দক্ষিণ হরিসভা পূজা মন্ডপ, ঝিকরা হরিতলা পূজা মন্ডপ, গোপিনাথপুর ঘোষপাড়া পূজা মন্ডপ, গোপিনাথপুর দাস পাড়া পূজা মন্ডপসহ উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে মন্ডপগুলো ঘুরে এমন চিত্রই প্রত্যক্ষ করা গেছে।

জাতির মঙ্গল কামনায় সব অশুভ শক্তি বিনাশে প্রতিবছর মহালয়ার দিনে দেবী দূর্গা শ্বশুরালয় থেকে পিতৃগৃহে আগমন করেন। আসুরিক শক্তির বিনাশ আর পার্থিব শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি লাভের জন্য হিন্দু সম্প্রদায় যুগ যুগ ধরে মা দূর্গার আরাধনা করে আসছেন।

উপজেলা পূর্জা উদযাপন কমিটির সভাপতি মনরোঞ্জন সাহা সাংবাদিক জুলফিকার আলীকে জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর শুভ মহালয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দূর্গা পূর্জার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। দেবী দূর্গার ঘোটকে (ঘোড়া) আগমন এবং ঘোটকেই গমন করবেন। আগামী ৭ অক্টোবর থেকে শারদীয় দূর্গোৎসবের মুল পূজা শুরু হয়ে ১১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হবে।

তিনি আরো বলেন, দূর্গা পূজাকে ঘিরে এবারের আয়োজনের মধ্যে থাকছে ৭ অক্টোবর দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ, ৮ অক্টোবর সপ্তমীতে সকালে মহাসপ্তমী, ৯ অক্টোবর সকালে দেবীর মহাষ্টমী পূজা আরম্ভ, রাত ১১ টা থেকে ১১ টা ৫২ মিনিটে সন্ধি পূজা, ১০ অক্টোবর পূর্বাহ্নে দেবীর মহানবমী পূজা উদযাপন ও ১১ অক্টোবর সকাল ৯ টা ৫৩ মিনিটে দশমী পূজা আরম্ভ ও রাতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দূর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

উপজেলা পূর্জা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী জানান, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক শেখের সহযোগিতায় পুলিশ প্রশাসন এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল জন সাধারণের সহযোগিতায় শারদীয় দূর্গাপূজা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক শেখ জানান, তিনি উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ৪০টি পুজা মন্ডপে এতিমধ্যে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রেখেছেন। যে কোন ঘটনায় তাৎক্ষনিক ভাবে থানা পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। একই সাথে কোন এলাকায় সন্দেহ জনক ব্যক্তিকে দেখলে থানা পুলিশকে অবহিত করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।