মেইন ম্যেনু

কলারোয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় সদ্য প্রসূত মা সহ বেশ কয়েক জন আহত

সদ্য প্রসূত মা শারমিন আক্তার টুম্পাকে পিটিয়ে মারত্মক ভাবে আহত করেছে আপন চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার কলারোয়া উপজেলার সিঙ্গা গ্রামে।

ভিটে বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল শারমিনের পিতা আব্দুল খালেক ও চাচা আব্দুল ওহাব মোড়লের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে। শারমিনের চাচাত ভাই জাহাঙ্গীরের সাথে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় জাহাঙ্গীরের মামা মান্নান মোড়ল লোহার রড ও লাঠি সোটা নিয়ে অর্তকীত হামলা চালায় শারমিনের মা তানজিলার উপর। তাদের হামলার হাত থেকে মাকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসে শারমিন। জাহাঙ্গীর ও তার মামা মিলে শারমিনকে বেদম পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে তাদের লোহার রডের আঘাতে শারমিনের মাথা ফেটে যায়।

শারমিন ও তার মা তানজিলা কে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,বিষয়টি আমি শুনেছি। পারিবারিক ব্যাপার । মামলা মোকদ্দমায় না গিয়ে মিমাংশা করার চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য শারমিন গত ২৮ দিন আগে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছে। তার শশুর বাড়ি একই উপজেলার নীলকন্ঠপুর গ্রামে। স্বামীর নাম বাবলু। তার ০১৭৩৯৫১৮৭০৩ নং মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করে ও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে ঐ একই দিনে উপজেলার জালালাবাদ গ্রামে অপর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে । ঐ গ্রামের আমীর আলী মোড়লের পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার মা আনোয়ারা খাতুনকে পিটিয়ে মারত্মক ভাবে আহত করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব শত্রুতার জের হিসেবে।

জাহাঙ্গীর আলম জানান, কলারোয়া বাজার থেকে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে ৩০/৪০ গজ দুরে আসা মাত্র আগে থেকে ওত পেতে থাকা একই গ্রামের দাউদ মোড়লের পুত্র শওকত ও আশরাফুলের নেতৃত্বে ৪/৫ জন মহিলা তার উপর হামলা চালায়। এ সময় তার চেচামেচিতে লোক জন ছুটে এসে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। হামলাকারীরা এর কিছু পরে আবারো সংঘবদ্ধ হয়ে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। তাদের এলো পাতাড়ি হামলায় তার মাথা ফেটে যায়। তার মা আনোয়ারা খাতুন ও মারাত্মক ভাবে আহত হন। তাদেরকে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে আর একটি মারপিটের ঘটনায় মারত্মক ভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে বেডে কাতরাচ্ছেন ইমাদুল শেখ ও তার ছেলে শাওন।

এ ঘটনাটি ঘটেছে জমি জমা নিয়ে। ৫ ভাই ৩ বোনের মধ্যে ইমাদুল সেঝ। ভিটে বাড়ির জমি সব ভাইয়ের ৯ কাঠা করে পাওনা হলেও তাকে দেওয়া হয়েছে ৬ কাঠা। বাকি তিন কাঠা জমি দাবী করার কারনে তার আপন বড় ভাই মতিয়ার শেখ,ভাইপো শিপন, ভাবি জোহরা খাতুন ও বৌমা রুপা ও তানিয়া দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র তাদের উপর হামলা করে। এতে ইমাদুলের মাথা ফেটে যায়,শাওনের হাত ভেঙ্গে যায় ও ইমাদুলের স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিন মারাত্মক ভাবে অহত হন।

এ ব্যাপারে ইমাদুল শেখ বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি এজহার দায়ের করেছেন।