মেইন ম্যেনু

দুঃশ্চিন্তায় আছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ

কলারোয়া উপজেলার মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র কেমন হবে?

কলারোয়া উপজেলার মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র কেমন হবে, কোথা থেকে হবে,সিলেবাসের মধ্য থেকে না বাইরে থেকে এ নিয়ে হাজারো পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক দুঃচিন্তায় আছেন। আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে কলারোয়া উপজেলার ৪০ টি মাধ্যমিক ও ৭টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩৩ টি মাদ্রসার বার্ষিক পরীক্ষা।

মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় থেকে ছাপানো প্রশ্ন থেকে। কিন্তুু এ নিয়মের তোয়াক্কা না করে গত মিড টার্ম পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র নেওয়া হয়েছিল সমিতি থেকে। যা ছিল ভুলে ভরা এবং সিলেবাস বর্হিভূত। মিড টার্ম পরীক্ষার কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞানের সমস্ত প্রশ্ন ছিল সম্পূর্ন সিলেবাস বর্হিভূত। নবম শ্রেনীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় পরীক্ষায় ও অনুরুপ অবস্থা হয়েছিল।অষ্টম শ্রেনীর প্রায় প্রত্যেকটি বিষয়ের কোন না কোন ভুল ছিল। এবং পরীক্ষার প্রশ্ন করা হয়েছিল বাজারের কিছু গাইড বই থেকে। কোন উপায় না পেয়ে বোর্ডে প্রশ্ন লিখে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছিল। বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার প্রত্যেকটি স্কুল থেকে প্রশ্নপত্র তৈরী করার জন্য যা কিছুর দরকার তার সব কিছু সরবরাহ করেছেন। তবুও প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় থেকে সরবরাহ না করে সমিতি থেকে নেওয়া হয়।

কারন অনুসন্ধানে জানা যায় যায়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাগণ কোচিং এবং প্রাইভেট বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বছরের বেশী সময়। এমন অনেক শিক্ষক আছেন যারা শিক্ষকতার পাশাপাশি গ্রাম্য ডাক্তার,কৃষি কাজ সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে ও ব্যস্ত থাকেন। আবার এমন অনেক শিক্ষক শিক্ষিকা আছেন যারা প্রশ্ন করা তো দুরে থাক ক্লাসে গিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে ঠিক মত কথা বলতে পারেন না।ক্লাসে গিয়ে গল্প গুজব করে বেরিয়ে আসেন। অনেক প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার শিক্ষক আছেন যারা বিভিন্ন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে সনদ নেওয়া। যা সরকারী নিয়ম বর্হিভূত। ফলে ঐ সমস্ত কম্পিউটার শিক্ষকগণ প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার থেকে প্রশ্নপত্র ছাপাতে পারেন না।

খোজ নিয়ে জানা গেছে আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষার রচনামূলক প্রশ্ন করা হবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় গুলো থেকে। আর নৈবিত্তিক প্রশ্ন নেওয়া হবে সমিতি থেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক এ প্রতিবেদককে জানান, পরীক্ষা গ্রহনের জন্য খাতা এবং প্রশ্নপত্র বাবদ যা খরচ হয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় তার চেয়ে অনেক বেশী। এবারে বার্ষিক পরীক্ষার ফি ধরা হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। যা খরচের চেয়ে প্রায় তিন গুন। আর এর ফলে অভিভাবকদের কে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।

মাধ্যমিক সমিতির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে,পুরোনো ফরম্যাটে প্রশ্ন শুধুমাত্র হেড লাইন পরিবর্তন করে ছাপানো হয়। আর যদি নতুন করে ছাপানো হয় তা হলে তাতে থাকে ভুলে ভরা ও সিলেবাস বর্হিভুত। আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নির্ভুল,সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লেখা এবং সিলেবাস অনুযায়ী ছাপানো হবে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট শিক্ষার্থী ও অভিভাবক গন জোর দাবী জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য এবারে কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে প্রায় সাড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার পরীক্ষার্থী বার্ষিক পরীক্ষা অংশ নিবে।



« (পূর্বের সংবাদ)