মেইন ম্যেনু

কলারোয়া পৌর নির্বাচন: স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জামায়াত নেতা ঈমান আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল

সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জামায়াত নেতার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর শনিবার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের নির্ধারিত দিনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য ঈমান আলী শেখের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রির্টানিং কর্মকর্তা।
উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বাকী ৪ মেয়র ও ৩৪ কাউন্সিলরদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়।
কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মনোনয়নপত্রের সাথে সমর্থিত ১০০ ভোটারের স্বাক্ষরিত তালিকা জমা দিতে হয়। জমাকৃত তালিকা থেকে চিহ্নিত ৫ জন ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক আছে কিনা তা তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে ওই ৫ জন ভোটারের মধ্যে ৩জন ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না পাওয়ায় ওই প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল বলে ঘোষনা করা হয়। যে কারণে কলারোয়া পৌর নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ প্রার্থীর প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীকে তার অফিসে ডেকে রির্টানিং কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়ের সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করে সত্যতা পাওয়ায় বিধিমোতাকে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী জামায়াত নেতা মো. ইমান আলী শেখের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষনা করা হয়।
ফলে বাকী প্রার্থী মেয়র পদে ৪জন, মহিলা কাউন্সিলর পদে ৬জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৮জন মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করেন রির্টানিং কর্মকর্তা। এখন পর্যন্ত মেয়র পেদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আ.লীগের আমিনুল ইসলাম লাল্টু, বিএনপির গাজী আক্তারুল ইসলাম, জাতীয়পার্টির মুনছুর আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আরাফাত হোসেন।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, জামায়াত নেতা ঈমান আলী শেখের বিরুদ্ধে নাশকতা, গাছকাটাসহ ৫/৬টি মামলা রয়েছে।
এদিকে, পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে আমিনুল ইসলাম লাল্টু ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন রির্টানিং কর্মকর্তা আবুল হোসেন ও সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা ফারাজী বেনজির আহম্মেদ। তারা জানান, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হওয়ায় সব ঠিকঠাক থাকলে আগামি ৩মাসের মধ্যে এ পদেও উপ-নির্বাচন হবে।