মেইন ম্যেনু

কলেজ ছাত্রীকে গলা কেটে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

ঈদের কাপড় কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরা হলো না কলেজ ছাত্রী রুমানার। ঈদও করা হলোনা তার। রুমানাকে গলা কেটে আগুনে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দৃর্বৃত্তরা।

এ হৃদয়বিদারক লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটেছে, বৃহস্পতিবার রাত অনুমানিক সাড়ে ৮টায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের নওগা নাপিতপাড়া এলাকায় ।

এ ঘটনায় বীরগঞ্জ থানায় মামলা করেছে, নিহত রুমানা আক্তার (১৮) এর পিতা কৃষি যান্ত্রিক হাল চালক আব্দুল মালেক।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যা কান্ড। তদন্ত চলছে। মামলায় নির্দিষ্ট কারো নাম উল্লেখ না থানায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে অতি শীঘ্রই অপরাধী সনাক্ত করে গ্রেফতার করার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ঘটেছে, মেয়েটি’র বাড়ি থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে আমতলী-কবিরাজহাট কাঁচা সড়কের নির্জন এলাকায়। আর মেয়েটি’র বাড়ি সুজালপুর বড় শিতলাই এলাকায়। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ধারনা, গলা কেটে হত্যার পর লাশটি’র পরিচয় গোপন করতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে দৃর্বৃত্তরা।

এদিকে আব্দুল মালেক জানিয়েছে, তার মেয়ে রুমানা আক্তার এবার এসএসসি পাশ একাদ্বশ শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছিলো ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা হলদিবাড়ী কলেজে। মেয়ের ইচ্ছা ছিলো লেখা-পড়া শিখে বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু সে ইচ্ছা তার অংকুরে ঝড়ে গেলো। ঈদের কাপড় কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়ে মেয়ের আর ফেরা হলো আর।