মেইন ম্যেনু

কাছেই রয়েছে অতিবৃহৎ ব্ল্যাক হোল! আমাদের পৃথিবী কতটা বিপদে?

খাটের নীচে যেমন ভূত ওৎ পেতে তাকে, ঠিক তেমনভাবেই আমাদের ছায়াপথের আশেপাশে নাকি ওৎ পেতে রয়েছে অতিবৃহৎ ব্ল্যাক হোলের দঙ্গল। সম্প্রতি এমন কথাই জানালেন বিজ্ঞানীরা।

আমাদের ছায়াপথ, আকাশগঙ্গার দুই প্রতিবেশী ছায়াপথের কেন্দ্রে অতিবৃহৎ কৃষ্ণগহ্বরকে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, গ্যাস ও ধুলোর আস্তরণে ঢাকা রয়েছে এই ব্ল্যাক হোলগুলি। তাই এদের অস্তিত্ব সহজে বোঝা যায় না। সেই সঙ্গে তাঁরা আরও জানিয়েছেন, প্রায় প্রতিটি বৃহৎ ছায়াপথেই অস্তিত্ব রয়েছে ব্ল্যাক হোলের। কিন্তু এদের অধিকাংশই দৃষ্টির অগোচরে রয়েছে।

এই ব্ল্যাক হোলগুলির বেশ কয়েকটিকে চিহ্নিত করেছে নাসা-র নিউক্লিয়ার স্পেক্ট্রোস্কোপিক টেলিস্কেপ ‘অ্যারে’। আকাশগঙ্গার প্রতিবেশী ছায়াপথ এনজিসি ১৪৪৮ এবং আইসি ৩৬৩৯-তে অবস্থান করছে এই সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল। প্রসঙ্গত, আকাশগঙ্গা থেকে এই দুই গ্যালাক্সির দূরত্ব যথাক্রমে মাত্র ৩৮ মিলিয়ন আলোকবর্ষ এবং ১৭০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ। মহাজাগতিক পরিসরে এই দূরত্ব তেমন কোনও ব্যাপারই নয়।

ডারহাম এবং সাদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা অ্যারে-র প্রদত্ত পরিসংখ্যান থেকেই এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। মাহাকাশ বিজ্ঞানী অ্যাডি অ্যানুয়ার জানিয়েছেন, আকাশগঙ্গার এত কাছে এরা রয়েছে, তবু এদের অস্তিত্ব এতদিন জানাই যায়নি। তবে এদের থেকে আমাদের আকাশগঙ্গার বিপদ কতটা তা জানায়নি কেউই।