মেইন ম্যেনু

কাঠের পুল ভেঙ্গে স্কুল শিক্ষার্থীসহ ১০ জন আহত

বরগুনার তালতলী উপজেলার কচুপাত্রা বাজার সংলগ্ন নদীর আয়রন ব্রীজের পাটাতনটি ঘুর্ণিঝড় সিডরে ভেঙ্গে যাওয়ার পর নয় বছর অতিক্রান্ত হলেও ব্রীজটি আর পুননির্মাণ করা হয়নি।শনিবার দুপুরে ওই পুলটি ভেঙ্গে স্কুল ছাত্র-ছাত্রীসহ ১০জন আহত হয়েছেন।

তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের গুরুত্বপুর্ন বাজার কচুপাত্রা। ২০০০ সালে এলজিইডি এ বাজার সংলগ্ন কচুপাত্রা নদীর উপর ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ মিটার প্রস্থ আয়রন ব্রীজ নির্মাণ করে।

২০০৭ সালে ঘুর্ণিঝড় সিডরে ব্রীজটি ভেঙ্গে যায়। এরপর ব্রীজটি পুনির্মাণ করা হয়নি। ব্রীজটি নির্মাণের নামে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের কাছে জনগন শুধুই প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এ ব্রীজের উপর দিয়ে প্রতিদিন পঁচাকোড়ালিয়া ও শারিকখালী ইউনিয়নের সহস্রাধিক স্কুল শিক্ষার্থী ও জনগণ চলাচল করে। স্থানীয় কলারং, চান্দুখালী, চরকগাছিয়া ও কচুপাত্রা গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নিজস্ব অর্থায়নে আয়রন ব্রীজের উপর কাঠের পুল নির্মাণ করে যাতায়াতের পথ সুগম করে।

শনিবার দুপুরে ওই পুলের পাটাতনের একটি অংশ ভেঙ্গে পরে। এতে তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র বেল্লাল, হুলাটানা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী জুই, তার মা কহিনুর বেগম ও পথচারীসহ ১০ জন আহত হয়েছে।আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে।

ভেঙ্গে পরা অংশ মেরামতের কাজ শুরু হচ্ছে বলে শারিকখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাবুল জানিয়েছেন ।

তালতলী উপজেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকৌশলী এসএম তৈয়বুর রহমান জানান, পটুয়াখালী ও বরগুনা প্রকল্পের মধ্যে এই ব্রীজটি অর্ন্তরভুক্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই কাজের দরপত্র আহবান করা হবে।