মেইন ম্যেনু

কারাগার পাহারা দেবে কুমীর!

মাদক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের জন্য একটি পৃথক কারাগার নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। দেশের নির্জনতম দ্বীপে ওই কারাগারটি নির্মান করা হবে। এই কারাগারে কোনো মনুষ্য পাহারাদার থাকবে না। দুর্ধর্ষ অপরাধীদের পাহারা দেবে জলের হিংস্র কুমীর ।

দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার প্রধান বুদি ওয়াসেসো সম্প্রতি এই পরিকল্পনা পেশ করেছেন। তিনি দেশের নির্জনতম এক দ্বীপে কারাগারটি প্রতিষ্ঠার কথা জানিয়েছেন। যে দ্বীপ-কারগারটির চারপাশের জলরাশিতে থাকবে অস্যংখ্য কুমীর পাহারাদার। প্রস্তাবিত ওই কারাগারের জন্য ইতিমধ্যে তিনি দেশের বিভিন্ন দ্বীপ ঘুরে দেখেছেন। তবে এখনো স্থান বাছাইয়ের কাজ চূড়ান্ত করতে পারেননি। তিনি বলেছেন, যে দ্বীপের জলরাশিতে কুমীর বেশি থাকবে সেটিই বেছে নেয়া হবে।

নিজের পরিকল্পনার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ওই কর্মকর্তা আরো বলেছেন,‘এই কুমীরদের ঘুষ দিয়ে প্রভাবিত করা যাবে না। এছাড়া অন্য কোনোভাবেও তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে পালানো সম্ভব হবে না।’ তিনি মনে করছেন, মানুষ প্রহরীদের চেয়েও কুমীর বেশি বিশ্বাসী হবে। কেননা মানুষ ঘুষ খায় কিন্তু কুমীর তা খায় না।

তবে তার এ পরিকল্পনা এখনো আতুরঘরেই রয়েছে। আগেই বলেছি এখনো কারাগারের স্থান বাছাই করা সম্ভব হয়নি। কবে নাগাদ এটি চালু করা হবে তার তারিখও চূড়ান্ত হয়নি।

ইন্দোনেশিয়ায় মাদক পাচার ও নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের কঠিনতম আইন বলবৎ রয়েছে যেখানে অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তি দেয়ার বিধান রয়েছে। তারপরও দেশটিতে মাদক পাচার নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়নি।