মেইন ম্যেনু

কার্তিকের হাত ধরে এলো হেমন্ত

পহেলা কার্তিক আজ। সোনাঝড়া রোদ্দুরের পাশাপাশি শীতের ঠান্ডা হাওয়ার বার্তা নিয়ে কার্তিকের হাত ধরে চলে এলো নবান্নের ঋতু হেমন্ত।

ষড়ষতুর দেশ বাংলাদেশে শীত মূলত পৌষ-মাঘ এ দু’মাস হলেও শীতের আগমনী বার্তা শোনা যায় হেমন্ত থেকেই। নগর থেকে দূরে গ্রামে বা মফস্বল শহরে সকাল বা রাতে ঘাসের ডগায় জায়গা করে শিশির বিন্দু। চোখের সামনে ধরা দেয় কুয়াশা। অবশ্য রাজধানী ঢাকায় শীত বা শীতের আগমনী বার্তা দেরিতেই আসে।

হেমন্ত ধান উৎপাদনের ঋতু হওয়ায় একসময় বাংলা বছর শুরু হতো হেমন্ত দিয়ে।

যেহেতু এ ঋতু নবান্নের ঋতু তাই এ সময়টাতে দেশীয় নৃত্য, গান, বাজনাসহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়, বসে গ্রাম্য মেলাও।

হেমন্তের আসল সৌন্দর্য আসলে পরিলক্ষিত হয় গ্রাম বাংলাতেই। শিল্পীর গানে এই ঢাকা ‘জাদুর শহর’ আখ্যা পেলেও প্রকৃতির সঙ্গে তার দূরত বাড়ছে বহুদিন ধরেই। আর তাই হেমন্তকে আপন করে নিতে গ্রাম বাংলার চেয়ে দেরিই করে এ শহর।

গ্রাম বাংলায় হেমন্তের রূপ-শোভা কবি নজরুল ভাষায়, ‘অঘ্রাণে মাগো আমন ধানের সুঘ্রাণে ভরে অবনী’।