মেইন ম্যেনু

কালীগঞ্জে বাফার সার গোডাউনে আটকে গেলো তিন’শ টন ইউরিয়া সার

এসএম হাবিব, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বাফার সার গোডাউন আসা ১৬টি ট্রাকে ৩শ মেট্রিকটন ইউরিয়া সারের প্রতি বস্তায় ৩ থেকে ৪ কেজি কম থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা সার ডিলাররা সার নিতে অপরগতা জানালে গোডাউন কর্তৃপক্ষ এমন অভিযোগে সার রিসিভ করেনি। চট্টগ্রামের আগ্রাাবাদের নবাব অ্যান্ড কোম্পানী এই সার সরবরাহ করে বলে জানা যায়।

গোডাউনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৫০টি সার বোঝায় ট্রাক দাড় করে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি ট্রাক নবাব অ্যান্ড কোম্পানীর বলে বাফার কর্তৃপক্ষ জানায়। তবে সেখানে থাকা শ্রমিক ও ডিলারদের দাবি বেশির ভাগই গাড়িই অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান নবাব অ্যান্ড কোম্পানীর। দীর্ঘদিন সারগুলো বন্দরের ঘাটে পড়ে থাকায় এর গুনগত মানও নষ্ট হয়ে গেছে বলে ডিলারদের অভিযোগ। এছাড়াও প্রতি বস্তায় ৩/৪ কেজি কম রয়েছে বলে অনুমান করছে বাফার সার গোডাউন কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ ফারটিলাইজার এ্যসোসিয়েশন ঝিনাইদহ শাখার সভাপতি ও সার ডিরার আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর জানান, আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ। গোডাউনে গিয়ে ইনচার্জকে অনুরোধ করেছি কম ওজনের সার রিসিভ না করার জন্য। এর আগে এই গোডাউন থেকে ডিলারদের মাঝে নিম্নমানের ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ইউরিয়া সার সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। আটকে গেলো তিন’শ টন ইউরিয়া সার

কালীগঞ্জ বাফার সার গোডাইনের প্রধান হিসাব রক্ষক জামির হোসেন জানান, আমরা আজকেই জেনেছি যে প্রতি বস্তায় সার কম আছে। এই প্রেক্ষিতে প্রতি ট্রাক থেকে কয়েকটি বাস্তা নামিয়ে মেপে দেখা যায় প্রতি বস্তায় প্রায় ৩/৪ কেজি সার কম আছে। ডিলারদের অভিযোগের পরই আমার অভিযুক্ত এই প্রতিষ্ঠানের সার লোড আনলোড বন্ধ রখেছি।

এ বিষয়ে নবাব এন্ড কোম্পানীর অপারেশন অফিসার ওসমান আলী টেলিফোনে বস্তায় সার থাকার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে সারগুলো ঘাটে পড়ে ছিল। যার কারনে কিছু বস্তার সার আবহাওয়ার কারনে কমে যেতে পারে। তবে আমরা অভিযোগ পাবার পর বাফার সার গোডাউন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, প্রতিবস্তায় ৫০কেজি করে মেপে তাদের সার বুঝিয়ে দেব।