মেইন ম্যেনু

‘কালো মেয়েরা শিক্ষায় এগিয়ে, চাকরিতে পিছিয়ে’

একদা তুলা খেতে চাবুকের সপাত সপাত শব্দে কুঁকড়ে থাকা শ্রমিকের হাহাকারই ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্টের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। এখন সেই অধ্যায়কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার অনন্য নিদর্শন রাখছেন তারা। বিশেষত সেদেশের মহিলারা। আমেরিকার ন্যাশনাল সেন্টার ফর এডুকেশন স্ট্যাটিস্টিক্স-এর তথ্য অনুযায়ী ২০০৯-‘১০ সালের মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ মহিলারা ৬৬ শতাংশ ব্যাচেলর ডিগ্রি, ৭১ শতাংশ মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ৬৫ শতাংশ ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন।

তবে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানা যায় তাদের কলেজে যাওয়ার হারও উল্লেখযোগ্যভাবে (১০-১৫%) বেড়েছে। এই একই সময়ে শেতাঙ্গদের কলেজ যাওয়ার হার অনেকটাই কমে গিয়েছে। আগের ৮৪ শতাংশ থেকে নেমে এখন ৬০ শতাংশে দাড়িয়ে রয়েছে। গত কয়েক বছরে কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাদের ক্ষেত্রে পড়াশোনার চিত্রটাই পাল্টে গিয়েছে। শেতাঙ্গ, এশীয়, হিস্পানিক পুরুষ হোন বা মহিলা সকলের থেকে এগিয়ে রয়েছেন তারা।

পড়াশোনাতে তো এগিয়ে, কিন্তু চাকরির ক্ষেত্রে চিত্রটা কেমন? একেবারেই সন্তোষজনক নয়। এমনিতে মহিলারা কর্মক্ষেত্রে নানাভাবে পুরুষদের দ্বারা হেনস্থা হন। বিশেষত তারা যদি কৃষ্ণাঙ্গ, এশীয় বা হিস্পানিক হয়ে থাকেন। বহুবার এ নিয়ে আওয়াজ তোলা হলেও কাজের কাজ তেমনভাবে কিছু হয়নি। বেসরকারি ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৮ শতাংশ পদে চাকরি পাচ্ছেন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলারা এবং তার মধ্যে মাত্র দেড় শতাংশই উচ্চপদে পৌঁছতে পারছেন।

ক্যাটালিস্টের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৪ সালে সাধারণ শ্রমিক বা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে এশীয়, কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিক মহিলারা মিলে মাত্র ১৭ শতাংশ পদে চাকরি করছেন। একজিকিউটিভ বা ম্যানেজার পদে সেই হার নেমে আসছে ৪ শতাংশের নীচে। বড় সংস্থার বোর্ড অফ ডিরেক্টর পদে সংখ্যাটা নেমে যাচ্ছে ৩ শতাংশের নিচে।