মেইন ম্যেনু

কিছু ইংরেজি মাধ্যম প্রতিষ্ঠানে উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার চর্চা হয়

কিছু ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার চর্চা হয় বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নবনির্বাচিত সভাপতি মুঞ্জুরুল আহসান বুলবুল।

তিনি বলেছেন, ইংরেজি মাধ্যমের কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে উগ্র সাম্প্রদায়িতকার চর্চা হয়। আমরা একটা অদ্ভুত প্রজন্ম তৈরি করছি, যাদের কোনো আশা নেই, স্বপ্ন নেই।

জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সামগ্রিক জায়গাটা তুলে ধরতে হবে। এই চেতনাটা কারা ছড়ায়, কীভাবে ছাড়ায়, বিচার হলে কারা বাধা দেয় তা আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

রোববার রাজধানীর পল্টন মুক্তিভবনের প্রগতি সেমিনার কক্ষে সাপ্তাহিক একতা’র ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বুলবুল এ মন্তব্য করেন।

এসময় সবাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদ একমাত্রিক সমস্যা নয়, এটি বহুমাত্রিক সমস্যা। ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে এর চেতনা উৎসারিত হচ্ছে। ইসলাম পছন্দের প্রতিযোগিতা না করে ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে প্রতিযোগিতা হলে দেশের পরিস্থিতি ভিন্ন রকম হতে পারতো।

হতাশাচ্ছন্ন ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নরা উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হতাশার উদ্ভব মূলত দুই দিক থেকে: দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের নিশ্চয়তা না থাকায় সে অর্থ থেকেও হতাশার সৃষ্টি হয়। আবার নুন-ভাতের গ্যারান্টি না থাকার কারণেও অনেকে হতাশ। আরেকটা অংশের মধ্যে এমন চেতনা কাজ করে যে, এতা টাকা দিয়ে কী করবো? তখন তারা ভিন্নদিকে ধাবিত হয়।

তিনি আরো বলেন, প্রগতিশীল চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমই মনোজাগতিক চেতনাকে প্রসারিত করতে পারে। তাই গণমাধ্যমকে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতাও উপলব্ধি করতে হবে।

সাপ্তাহিক একতা’র সম্পাদক এ এন রাশেদা’র সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন দৈনিক ভোরের ডাক এর প্রধান বার্তা সম্পাদক মাহবুব আলম। বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক অধ্যাপক এম এম আকাশ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ।