মেইন ম্যেনু

‘কিছু লোককে গুলি করে হত্যা করলে দেশের ক্ষতি হবে না’

১৬ কোটি মানুষকে বাঁচাতে মুষ্টিমেয় কিছু লোককে গুলি করে হত্যা করলে দেশের তেমন ক্ষতি হবে না। শিশু হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হলে এদের গুলি করে মারতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবে আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বিরোধীদল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ।
তিনি বলেন, সারাদেশ আজ মাদকের ছোবলে ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। এর শাখা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে হাত দিলে মাদক পাওয়া যাবে না।

মাদকসেবীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে ৭০ লাখ দাঁড়িয়েছে। এখনই এদের দিকে নজর দিতে না পারলে গোটা যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। এই মাদকের টাকা জোগাড় করেতে গিয়ে শিশু অপহরণ, ছিনতাই, ডাকাতি থেকে এমন কোন অপকর্ম নেই যা করছে না।

ফিরোজ রশীদ বলেন, সম্প্রতি বিনা কারণে চার শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এই ভয়াবহ অবস্থা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা আমাদের অচিরেই বের করতে হবে। যারা এইভাবে মায়ের বুক খালি করছে তাদের বেঁচে থাকার অধিকার এ সমাজে নেই। এর শাস্তি হলো একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।

তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত শিশু হত্যার জন্য কারো মৃতুদন্ড কার্যকর হয় নাই। বিচারে মৃত্যুদণ্ড হয় আর উচ্চআদালতের রায় হতে ২০ বছর লাগে। কেউ বিচার দেখে যেতে পারে না। কারো সাক্ষী থাকে না। তাই একমাত্র শাস্তি এদের গুলি করে মারতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বাহুবলে চার শিশুর হত্যাকরারীদের গুলি করে মারলে আগামীকাল সারাদেশে সরকারের পক্ষে মিছিল বের হবে।

বিরোধী দলের এই সাংসদ বলেন, দেশের মানুষ সরকারের কাছে শান্তি চায়, নিরাপত্তা চায়। শান্তি ও নিরাপত্তা দিতে না পারলে যতো ভাল কাজের ফিরিস্ত দেই না কেন, মানুষের মন জয় করা যাবে না।

‘জাতীয় বাজেটের দেড় গুণ অর্থাৎ ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘ সংসদে দাঁড়িয়ে আমি বারবার বলেছি, দেশের টাকা দেশে থাকতে দিন। শেয়ার মার্কেটে টাকা লগ্নি করার সুযোগ দেন। কালো টাকা সাদা করতে দেবেন না। এর আগে তো সব সরকার সাদা করেছে। এ সুযোগ না দিলে দেশের টাকা দেশে থাকবে না। বিদেশে চলে যাবে। এতে আমাদের আবাসন খাততেও বাঁচাতে পারবেন না।