মেইন ম্যেনু

কিডনিতে সমস্যা বুঝবেন কিভাবে?

শরীরের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। এই অঙ্গটিতে সমস্যা হলে বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে। কিডনি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। এই রোগের ভয়াবহতা হলো, আক্রান্ত হলেও অনেকে জানেনই না কিডনিতে সমস্যা আছে। আর এর মধ্যেই ভেতরে ভেতরে অকেজো হয়ে যায় কিডনি। রোগী যখন বুঝে উঠে তার কিডনি সমস্যা ততক্ষণে তার বেঁচে থাকার সুযোগ ক্ষীণ হয়ে আসে। এজন্য আসুন জেনে নিই কিডনি রোগের কিছু লক্ষণ।

১. প্রস্রাবে সমস্যা

কিডনিতে সমস্যা হওয়ার একটি পরিষ্কার চিহ্ন হলো প্রস্রাব কম হওয়া। অথবা আপনি যদি রাতের বেলায় অনেকবার প্রস্রাব করেন, তবে কিডনিতে সমস্যা হওয়ার কিছুটা আশঙ্কা থাকে। তাই এমন হতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিন।

২. প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া

যদি প্রস্রাব করতে ব্যথা বোধ হয়, এটি ইউটিআই সমস্যার লক্ষণ। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এটি কিডনির কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অন্যতম উপসর্গ।

৩. ফোলা পা

আপনার পা ও গোড়ালি যদি বেলুনের মতো ফুলে ওঠে, তবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। ফোলা পা কিন্তু কিডনির কার্যক্রম খারাপ হওয়ারও একটি উপসর্গ।

৪. খাবারে অরুচি

খাবারে অরুচি, বমি বা বমি বমি ভাব কিডনির কার্যক্রম খারাপ হওয়ার আরেকটি লক্ষণ। যখন শরীরে বিষাক্ত পদার্থ বেড়ে যায়, তখন কিডনি অকার্যকর হওয়ার শঙ্কা বাড়ে। অনেক কারণেই অবশ্য খাবারে অরুচি হতে পারে।

৫. ফোলা চোখ

যখন প্রস্রাবের সঙ্গে অনেক প্রোটিন চলে যায়, তখন চোখ ফুলে যায়। এর অর্থও কিন্তু কিডনিতে সমস্যা হচ্ছে। এ রকম হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৬. পেশি ক্রাম্পড হওয়া

আপনি কি জানেন, ইলেকট্রোলাইটের ভারাসাম্যহীনতা কিডনির কার্যক্রম খারাপ করে দিতে পারে? এ থেকে পেশি ক্রাম্পড হতে পারে। তাই যদি পেশি ক্রাম্পড হয়ে যাওয়ার সমস্যা হয়, তবে কিডনির সমস্যা হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখা জরুরি।

৭. ত্বকে চুলকানি

যখন কিডনি রক্তে মিনারেল এবং পুষ্টির সঠিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে পারে না, তখন ত্বকে চুলকানির সমস্যা হয়। যদি ক্রিম ও ওষুধ এ থেকে আপনাকে পরিত্রাণ দিতে না পারে, তবে চিকিৎসকের কাছে যান।