মেইন ম্যেনু

কিভাবে বিক্রি হয় মানুষের হাড়? (ভিডিও)

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় বাস করে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষ। এখানে কেউ আরামে জীবন কাটান। আবার কারও কাটে কষ্টে। কেউ চির দিনের মত হারিয়ে যান এই কোটি মানুষের ভীড়ে।

কেউ হারিয়ে গেলে তার প্রিয় মানুষগুলো তাকে পাগলের মত করে খুঁজে বেড়ায় এদিক-ওদিক। আত্মীয়-স্বজনের বাসা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাটসহ সব স্থানেই খোঁজা হয় প্রিয় মানুষটিকে।

এরপরও প্রিয় মানুষটির খোঁজ পাওয়া না গেলে, যাওয়া হয় হাসপাতাল ও লাশ কাটা ঘরে (মর্গে)। অনেক উচ্চ পরিবারের মানুষ হলে হারানো ব্যক্তির মৃত্যু দেহ সেখানে থাকলে হয়তো পেয়ে যান তার আত্মীয় স্বজন। তবে নিম্ন শ্রেনীর মানুষ হলে লাশ কাটা ঘরে মৃতদেহ থাকলেও প্রিয় মানুষটির লাশ পান না তার স্বজনরা। কারণ মর্গে দায়িত্বরত কর্তা ব্যক্তিরা শুধু খাতা দেখিয়েই বিদায় দেন আত্মীয় স্বজনদের।

boan_220715-thumbnail

এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে বেওয়ারিশ লাশ তো অনেকই আসে। আসলে সেগুলো যায় কোথায় এবং কি হয় আমরা কি তা জানি? চলুন পাঠক তাহলে মর্গে দায়িত্বরত একজনের কাছ থেকেই জেনে নিই, সেই লাশগুলোর কথা।

মর্গে থাকা সেই লাশগুলো আসলে পঁচানোর জন্য আলাদা ঘরে রাখা হয়। এরপর সেই লাশগুলোর মাংসগুলো হাড় থেকে ছাড়িয়ে নেয়া হয়। পরে একটি পাত্রে সেই হাড়গুলো সেদ্ধ করা হয়। পরে হাড়গুলো সত্তর থেকে এক লাখ বিশ হাজার বা তার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করা হয়।

আর হাড় থেকে ছাড়ানো সেই মাংসগুলো লাশের মতো একটি পলিথিনে ভরে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্থান্তর করা হয়। তারা লাশগুলো দাফন করে দেয়।