মেইন ম্যেনু

কিশোরীর লাশকে দুই দিন ধরে গণধর্ষণ!

গণধর্ষণে মৃত্যু হওয়ার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয় গাছে। সেই লাশ নামিয়েই আরো দু’দিন ধরে চলে আরেক দলের গণধর্ষণ। এমনই বর্বর ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। গত ফেব্রুয়ারিতে এ ঘটনা ঘটলেও বিস্তারিত প্রকাশ পায় ময়নাতদন্ত রিপোর্টে। যে রিপোর্ট দেখে চমকে ওঠেন উত্তরপ্রদেশের তদন্ত অফিসাররাও। রিপোর্টে প্রকাশ, জীবিত এবং মৃত অবস্থায় একের পর এক মোট ২১ জন তাঁকে ধর্ষণ করেছে।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছ থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তারও ৬ দিন আগে থেকে সে নিখোঁজ ছিল। স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোরীটি। হদিশ যখন মিলল তখন রাস্তার ধারে ঝোপ-ঝাড়ের মধ্যে তার দেহটি পড়ে রয়েছে। প্রায় ছিন্নভিন্ন, পচন ধরা।

মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হয়। তখনই রিপোর্টে তার দেহে ২১ জনের ডিএনএ মেলে। রিপোর্টে জানা যায়, ধর্ষণ করার সময়ই অত্যধিক রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। তার পরও রেহাই মেলেনি। তার লাশের উপরেও একের পর এক ধর্ষণ চলেছে। এই ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গণধর্ষণে ছিন্নভিন্ন হয়ে মৃত্যুর পর, মেয়েটিকে ধর্ষণকারীরা গাছে ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। সেই গাছ থেকেই লাশটি নামিয়ে আনে আরও একটা দল। টানা দু’দিন ধরে লাশেই ধর্ষণ করা হয়। তারপর সেই দেহ রাস্তার ধারের ঝোপে ফেলে দিয়ে আসে। ধৃতদের একজনের বাড়ি থেকে মেয়েটির স্কুল ব্যাগ এবং আর এক জনের বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।