মেইন ম্যেনু

কিসের ঈদ পুলিশের?

ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর ঈদ মানে বছরে এক বা দুটি দিন একটু প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানো। এটা মা, বাবা, স্ত্রী, সন্তান হতে পারে। আর ঈদের আনন্দ একটু ভাগাভাগি করে নিতে মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফেরেন। শত কষ্টের মধ্যেও। আবার এর সাথে রয়েছে জীবনের ঝুকিও।

ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা সারাদেশ। পরিবার পরিজনের সঙ্গে উৎসব উদযাপনে ব্যস্ত সবাই। মহল্লা থেকে পার্কে মানুষের পদচারণায় মুখরিত। নগরীর রাস্তাগুলো ফাঁকা হলেও দায়িত্বে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। শুধু তাই নয় নগরবাসীসহ সারাদেশের মানুষের নিরাপত্তায় ছুটির বদলে যেন দায়িত্ব বেড়েছে তাদের।

আর যখন শহরের মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করে তখন নগরী প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়। তার পরেও যারা নগরীর তারা তো রয়েছে। তারাও কথাও না কথাও থেকে এসেছে ঈদ করতে।

আর তাদের দেখা শোনার ভাড় নিয়েছেন, পুলিশ প্রশাসনের। আজ সোমবার নগরীর রেলগেট এলাকায় দাঁড়িয়ে আছেন কয়েজন ট্রাফিক পুলিশ। বেড়াতে আসা মানুষদের গাড়ির জট নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত তারা। তারোতো ঈদের আনন্দ আছে। তারোও তো বাড়িতে মা, বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী- সন্তান রয়েছে। তারা তো আমাদের সেবাই কাজ করছে।

ট্রাফিক সার্জেন্ট সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘কিসের ঈদ পুলিশের?’ রোববার নগরীর বিনোদপুর এলকায় কর্মরত ছিলেন এই কর্মকর্তা। সবাই ঈদ করলে সাধারণ মানুষের দেখা শোনা কে করবে। আমরা রাস্তার জানজট কমানো জন্য ডিউটি করছি। তাছাড়া সন্দেহ ভাজনদের মোটরসাইকেলের কাগজ পত্র চেক করছি। সব মিলে সাধারণ মানুষের ভালোই ঈদ কেটেছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদেরর মানুষের সেবাই সব সময় নিয়জিত থাকতে হয়। মানুষের ঈদ নির্বিঘœ করাই আমাদের দায়িত্ব। আর দায়িত্বের মধ্যেই আমাদের আনন্দ।



(পরের সংবাদ) »