মেইন ম্যেনু

কীভাবে কঙ্গনার প্রেমের চোরাবালিতে আটকালেন হৃতিক? গুঞ্জন বলছে…

হৃতিক যখন বিবাহবিচ্ছেদের খবর দিয়েছিলেন, কঙ্গনা নাকি তখন অবাকই হয়েছিলেন। এর পরে বিয়ের কথা বলেও হৃতিক ২০১৪-র ফেব্রুয়ারি থেকে কঙ্গনাকে এড়িয়ে চলছিলেন। কঙ্গনা তা নিয়েও কোনওদিন নাকি হৃতিককে কিছু জিজ্ঞেস করতে যাননি।

‘তোমায় সাজাব যতনে কুসুম রতনে’- কঙ্গনার সঙ্গে গোপন সম্পর্কের জালটাকে এভাবেই বোধহয় বুনতে চেয়েছিলেন হৃতিক। কিন্তু, তিনি এটা জানতেন না গোপনীয়তারও একটা শর্ত থাকে। আর সেই শর্ত ভাঙলে তার পরিণাম যে ভয়ঙ্কর হতে পারে তিনি তা অনুধাবন করতে পারেননি।

আজ ভেঙেছে সেই গোপনীয়তা বেড়াজাল। ফলে বেরিয়ে আসছে একের পরে এক চাঞ্চল্যকর দাবি। যার সত্যতা যাচাই নয় বরং বলিউড মেতেছে এই নিয়ে জোর আলোচনায়। প্রত্যেকেরই চোখ কপালে তুলে প্রতিক্রিয়া— ‘কঙ্গনা ও হৃতিকের মধ্যে এত কিছু ছিল! এত দিন টেরই পাওয়া যায়নি।’

কঙ্গনার অতি ঘনিষ্ঠজনের দাবি, ২০০৯ সালে ‘কাইট’-এর শ্যুটিং থেকেই কঙ্গনার দিকে ঝোঁক বাড়ে হৃতিকের। আবার সে সময়েই ‘কাইট’-এর অন্য নায়িকা মেক্সিকোর বারবারা মোরির সঙ্গেও সম্পর্কে জড়ান হৃতিক। এই নিয়ে তৎকালীন স্ত্রী সুজেনের হুঁশিয়ারির সামনেও পড়েছিলেন তিনি। ‘ক্রিস ৩’-এর শ্যুটিং-এ কঙ্গনার সঙ্গে আরও মজবুত হয় হৃতিকের সম্পর্ক। কিন্তু, খোদ কঙ্গনা নাকি এই সম্পর্কে খুব একটা উৎসাহী ছিলেন না। ‘ক্রিস ৩’-এর সঙ্গে জড়িত এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরও দাবি, ৬ মাস কঙ্গনার পিছনে পড়েছিলেন হৃতিক। তার পরে কঙ্গনা ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন। হৃতিকের নাকি শর্ত ছিল সম্পর্ক গোপন রাখার। সুজেনকে ডিভোর্স দেওয়া যে সম্ভব নয়, তা নাকি জানিয়েছিলেন হৃতিক। কঙ্গনাও এই সম্পর্ক নিয়ে কোনওদিন প্রকাশ্যে কোনও কথা বলেননি। তবে গোপনে হৃতিকের সঙ্গে প্রেমের প্রচুর ই-মেলও চালাচালি হয়েছিল কঙ্গনার।
হৃতিক যখন বিবাহ বিচ্ছেদের খবর দিয়েছিলেন, কঙ্গনা নাকি তখন অবাকই হয়েছিলেন। এর পরে বিয়ের কথা বলেও হৃতিক ২০১৪-র ফেব্রুয়ারি থেকে কঙ্গনাকে এড়িয়ে চলছিলেন। কঙ্গনা তা নিয়েও কোনও দিন নাকি হৃতিককে কিছু জিজ্ঞেস করতে যাননি। ২০১৪-র ডিসেম্বর থেকে কঙ্গনার সঙ্গে নাকি সাক্ষাৎ এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলেন হৃতিক।

কঙ্গনা ‘কুইন’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার পেতেই ফের ছবিটা বদলাতে থাকে। সে সময়ে এক উঠতি তারকার সঙ্গে কঙ্গনার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাঁর সঙ্গে ডেটিং-এও যান। এইসময় নাকি হৃতিক কয়েকবার কঙ্গনাকে ফোনও করেন এবং ওই উঠতি তারকার সঙ্গে ঘোরাফেরা করতে বারণ করেন। এরপর কর্ণ জোহরের এক পার্টিতে হৃতিকের সঙ্গে মুখোমুখি হয়েছিলেন কঙ্গনা। সেখানে তিনি হৃতিকের হাত ধরতে চেয়েছিলেন। ব্যস, এতে নাকি অগ্নিশর্মা হয়ে যান হৃতিক। কঙ্গনার সঙ্গে উঠতি তারকার সম্পর্ক নিয়ে অনেক কথাই বলেন। গোপন সম্পর্কের যেটুকু বাকি ছিল, এখানেই নাকি তার সমাপ্তি ঘটে। কঙ্গনাও প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছিলেন। এর পরেও নাকি কঙ্গনা সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া জন্য হৃতিককে বার্তা দিয়েছিলেন। চাইছিলেন সম্পর্কটা যাতে টিকে যায়। কিন্তু, এরই মাঝে হৃতিকের মানহানি মামলা কঙ্গনার বিরুদ্ধে। আর কঙ্গনার পাল্টা অভিযোগ গোপন ই-মেল ফাঁস করার। কঙ্গনা নাকি হৃতিককে না পেয়ে রাকেশ রোশনকে ফোন করেন এবং স্পষ্টতই হুমকি দিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে তা প্রমাণিত হলে ঘোর বিপদে পড়বেন হৃতিক। যদিও, এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে না হৃতিকের।



(পরের সংবাদ) »