মেইন ম্যেনু

কীভাবে বুঝবেন আপনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত

চিন্তা প্রকৃতপক্ষে একটি রোগের নাম। আমাদের নানা কাজ নিয়ে চিন্তা হয়। এই কাজটিতে কি সফল হতে পারবো? এই চিন্তা। বাড়িতে নানা কাজ নিয়ে চিন্তা আর যারা অফিস কিংবা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন তাদের তো নানা চিন্তা। আর তা বেড়ে গিয়ে হয়ে যায় দুশ্চিন্তা। যা আপানকে হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপসহ নানা রোগে আক্রান্ত করে ফেলে। আপনি যদি নিজে থেকে একটু সচেতন হোন তবে চিন্তাকে দুশ্চিন্তায় রূপ নেয়া থেকে বিরত রাখতে পারেন।

ক্লান্তি
অল্প কাজ করেই ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন? এটি হতে পারে আপনার দুশ্চিন্তা থেকে। এই দুশ্চিন্তা আমাদের শরীরের মাংসপেশি সঙ্কুচিত করে ফেলে। স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে বাঁধা দেয়। যা আপনার মাথাব্যথা এবং নানা রোগের কারণ। এর কারণে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি সঞ্চালিত হতে পারেনা। ফলে আপনি অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

ঘুমাতে না পারা
সকালে অফিস যাবেন, তাই ঘড়ির কাঁটা ধরে ঘুমাতে গিয়েছেন। কিন্তু আপনি যার জন্য এতো আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন সেই ঘুম কোথায়? প্রায় সব বয়সের মানুষই কম বেশি এই না ঘুমানোর রোগে ভোগেন। আর এর পিছনের কারণ দুশ্চিন্তা। আপনার অজান্তে মনে জমে যাওয়া চিন্তাগুলো যখন একত্রিত হয় তখনি তা রূপ নেউ দুশ্চিন্তায়। যখনই এমন চোখের পাতা থেকে ঘুম উড়ে যাবে বুঝে নিন আপনি দুশ্চিন্তা রোগে আক্রান্ত।

সব সময় অসুস্থ থাকা
আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে বার বার ভাববেন দেখবেন আপনি আপনার শরীরে নানা রোগের লক্ষণ টের পাচ্ছেন। শরীর দুর্বল থাকা তার মধ্যে অন্যতম। আর এই দুর্বলতা দুশ্চিন্তারই অংশ। আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এই দুশ্চিন্তার কারণে। তাই দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন আর সুস্থ থাকুন।

আনমনে থাকা
যখন আপনি খুব দুশ্চিন্তায় থাকেন তখন আপনার মন কোথাও স্থির থাকবেনা। আপনার কাজে মন বসবেনা। আপনাকে হয়তো কেউ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলছে কিন্তু আপনার তাতে কোনো খেয়ালই নেই। এমন হলে বুঝে নিন আপনি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।