মেইন ম্যেনু

কী পান করবেন, লেবু পানি, নাকি নারকেলের পানি?

লেবু পানি ও নারিকেল বা ডাবের পানি উভয়েরই প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে যার জন্য উভয়েই প্রশংসার দাবীদার। টেলার ইউটিউব এর অ্যাক্টিভ বিট চেনেল এ নারিকেল পানি ও লেবু পানির মধ্যে তুলনা করে দেখিয়েছেন কোনটা বেশি উপকারী।

লেবু পানি শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে ।হার্বার্ট পাবলিক স্কুলের গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে,প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস লেবু পানি(গরম পানি)পান করা শরীরের জন্য অনেক ভালো।লেবুর ভিটামিন ও খনিজ লবণ শরীরের টিস্যু ও কোষে পুষ্টি সরবরাহ করার পাশাপাশি শরীর কে বিষ মুক্ত করে,হজমে সহায়তা করে এবং পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।

অন্যদিকে নারিকেলের পানি ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপন করে। নারিকেল পানির কম সোডিয়ামের ও বেশি পটাশিয়াম এর উপস্থিতির জন্য এটা স্পোর্ট ড্রিঙ্কের পরিবর্তে অনেক উপকারী। স্পোর্টস এন্ড এক্সারসাইজ এ প্রকাশিত মেডিসিন এন্ড সাইন্স এর একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, নারিকেলের পানি শরীরের ফ্লুয়িড টলারেন্স বৃদ্ধি করে যা এক্সারসাইজ এর পরের রিহাইড্রেশন এর জন্য ভালো।সকালে ১ গ্লাস ডাবের পানি খেলে পেট ভরা থাকে ও পাকস্থলী অবসাদ্ গ্রস্থ হয় না এবং বমি বমি ভাব কমায়।

লেবু পানিতে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী।এর প্রদাহরোধী উপাদান প্রদাহ কমায় এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া,টনসিল ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ ভালো করে।

ডাবের পানি মিষ্টি ও বাদামের স্বাদ যুক্ত যার কার্বোহাইড্রেট খুব সহজেই হজম হয় তাই একে প্রাকৃতিক সঞ্জীবনীও বলা যায়।এতে ক্যালরি ও সুগার কম থাকে।যা স্পোর্টস ড্রিঙ্কে অনেক বেশি থাকে। এতে প্রচুর ফাইবার থাকে যা বদহজম প্রতিরোধ করে এবং এসিডিটি কমায়।

নেতিবাচক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ডেন্টিস্টদের মতে লেবু পানিতে এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে তাই নিয়মিত খেলে দাঁত ক্ষয় হতে পারে।

এখানে নারিকেল পানি বলতে সবুজ নারিকেল অর্থাৎ ডাবের পানিকে বোঝানো হয়েছে।ছোট থেকে বড় যেকোন বয়সের মানুষ ডাবের পানি পছন্দ করে।

দেখে নিন ডাবের পানি এবং লেবুর পানির মাঝে তুলনা দেখানো চমৎকার একটি ভিডিও।