মেইন ম্যেনু

কী শেখানো হয় আইএসের বিশ্ববিদ্যালয়ে

ঠিক দুই বছর আগে ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী মসুল দখলে নিয়েছিল জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এরপর সেখানে ব্যাপক ধ্বংযজ্ঞও চালিয়েছিল তারা। তবে মসুলের বিশ্ববিদ্যালয়টি ঠিকই চালু রেখেছে আইএস। আর এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টি খোলা রাখা নিয়ে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন।

স্বাভাবিক কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়টি খোলা রাখা হয়েছে, নাকি রাসায়নিক অস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্র তৈরি করতে ব্যবহার করা হয় এটি- এমন প্রশ্ন ছিল সবার মনে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কী হয় তা গোপন রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল আইএস। তবে সেখানে এমন কিছু শিক্ষার্থী এবং গবেষক ছিল, যারা বিশ্ববিদ্যায়ের আভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড বাইরের লোকদের জানাতে চাইতো।

এ কাজে তাদের সহায়তা করেছিল নিউইয়র্ক-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন’র সহ-গবেষণা সংগঠন ‘স্কলার রেসকিউ ফান্ড’। হিটলারের সময়ে ইউরোপের অনেক গবেষককে নাৎসিদের হাত থেকে উদ্ধার করেছিল এই স্কলার রেসকিউ ফান্ড।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে মসুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, পুরো শহরজুড়ে কীভাবে সহিংসতা আর ভীতি তৈরি করে আসছিল আইএস। গণহারে মৃত্যুদণ্ড প্রদান, লোকজনের ওপর নির্যাতন, বিমান হামলা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পুরো শহরটিই একটি নরকে পরিণত হয়েছিল।

২০১৪ সালে মসুল দখলে নেয়ার পর সেখানে লোকদের পেছনে গোয়েন্দাগিরি, প্রতিনিয়ত তাদের অপমান করা এবং ভয়ানক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতো আইএস। কয়েক মিনিটের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করা হতো জঙ্গি এই সংগঠনটির আদালতে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই কার্যকর করা হতো দণ্ড।