মেইন ম্যেনু

কুকুরের সম্মুখে যে ৫টি কাজ ভুলেও করবেন না

প্রভুভক্ত প্রাণি হিসেবে বিশ্বজুড়ে রয়েছে কুকুরের সুনাম। আর তাই বলা হয়ে থাকে, ‘ডগস আর ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড’! বিষয়টি বাস্তব যে আপনার পোষা কুকুরটি নির্দ্বিধায় আপনার জন্য প্রাণও দিয়ে দিতে পারে।

অনেকেই রয়েছেন যারা বাসায় কুকুর পুষে থাকেন। কেবল খাইয়ে দাইয়ে দিলেই তো আর হয় না। মাঝেমধ্যে এই কুকুরটির সামনে অনেক কাজই করে ফেলা হয়, যা কখনোই করা উচিত নয়। এতে কেবল প্রাণিটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা নয়, সমস্যাগ্রস্ত হতে পারেন আপনিও।

১. সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া
সামনাসামনি কিংবা ফোনে কথা বলার সময়, কখনোই কুকুরটির সামনে ঝগড়াঝাটি করবেন না। আপনার চেঁচামেচি সে রপ্ত করে নেবে নিজের মধ্যে। শুধু তাই নয়, একটু বেগতিক দেখলেই কিন্তু সে নির্দ্বিধায় কামড়ে দিতে পারে আপনার সঙ্গীকে। কারণ তার মনে হতেই পারে যে মালিক বিপদগ্রস্ত!

২. কোনো কুস্তি খেলা নয়!
কুকুরের সঙ্গে খেলাধুলার মতো আমুদে কাজ কমই হয়। অনেক সময় এরসঙ্গে খেলাচ্ছলে কুস্তিতেও মেতে ওঠেন অনেকে। মনে রাখবেন, এটি করা খুবই বিপজ্জনক। অন্য কারো সঙ্গে আপনার কুকুরটি কুস্তি খেলতে গেলে তাঁর অবস্থা কী হতে পারে, একবার ভাবুন!

৩. মিশ্র নির্দেশনা
জেনে রাখুন, পূর্ণবয়স্ক এবং পরিপূর্ণ বুদ্ধিমত্তার একটি কুকুরের বুদ্ধির দৌড় দুই বছর বয়সী একটি শিশুর সমান! আর আপনি যদি একে অনবরত বিভিন্ন নির্দেশ আর প্রশিক্ষণ দিতে যান, তাহলে সে বিভ্রান্ত হয়ে যাবে। পরে দেখবেন, করতে বলছেন এক কাজ আর সে করছে আরেক!

৪. বিছানায় নতুন কেউ!

অনেক আদুরে কুকুরই তার মালিকের পাশে এসে গুটিসুটি মেরে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়ে। আর মজার ব্যাপার, সে মনে করে তার মালিকটিই হচ্ছে তার বাবা-মা! এমন অবস্থায় নতুন কোনো মানুষকে হঠাৎ করে আপনার বিছানায় দেখলে সে অভিমান তো করবেই, রাগ করাটাও অস্বাভাবিক নয়। কাজেই এ রকম ক্ষেত্রে নতুন মানুষটি, তিনি যেই হোন না কেন, তাঁর সঙ্গে কুকুরটিকে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও পরিচিত করে তুলুন।

৫. বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে জম্পেশ আড্ডা
আপনার কুকুরটি আপনার সব আচরণে মেতে থাকে, তার মানে কিন্তু এই নয় যে আপনার বন্ধুদের সঙ্গেও তার একই আচরণ হবে। বিশেষ করে, অনেক বাসার কুকুরই ঠান্ডা মেজাজের হয়ে থাকে। বেশি চেঁচামেচিতে তারা ভয় পায়, আবার একটু চটেও যেতে পারে। কাজেই এমন সময়ে কুকুরটিকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন বা অন্য কোথাও রেখে দিন।