মেইন ম্যেনু

কুনিও হোশির ‘খুনি ধরতে’ কলকাতায় অভিযান

বাংলাদেশে নিহত জাপানি কুনিও হোশির খুনিদের ধরতে অভিযান চলছে ভারতের কলকাতায়।

বাংলাদেশ থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতা পুলিশ দুটি স্থানে অভিযান চালায় বলে ভারতের ইন্টিলিজেন্স ব্যুরোর শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

কলকাতা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় চালানো ওই অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ এখনি কিছু বলতে রাজি হননি।

“একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চলছে, এটি এখনও শেষ হয়নি। ফলে এই মূহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না,” বলেন তিনি।

ঢাকায় ইতালির নাগরিক চেজারে তাভেল্লা হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহের মধ্যে গত ৩ অক্টোবর রংপুরের কাউনিয়ায় খুন করা হয় জাপানি হোশিকে।

দুটি হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে খুনি ছিল তিনজন। তারা মোটর সাইকেলে এসে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

হোশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে রংপুরে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুননবী খান সোহেলের ভাইও রয়েছেন।

তাভেল্লা ও হোশি হত্যাকাণ্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এর দায়িত্ব স্বীকার করেছে বলে দাবি ওঠে। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দারা একে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

ভারতের ইন্টিলিজেন্স ব্যুরোর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন,আইএসের আশির্বাদ নিয়ে বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম।

“ইসলামিক স্টেট দেখাতে চায় যে সারাবিশ্বে তাদের তৎপরতা রয়েছে, অন্যদিকে এই লোকাল গ্রুপটি (আনরারুল্লাহ) বাইরে আইএসের মতো বড় কারও সমর্থন চায়। এই হল তাদের সম্পর্কের সূত্র।”

তাহলে কি আনসারুল্লাহর কোনো সদস্যকে ধরতে কলকাতার অভিযান- প্রশ্ন করা হলে এই কর্মকর্তা তার সরাসরি কোনো উত্তর দিতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সংস্থাগুলো থেকে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য আসে। এক ব্যক্তির বর্ণনা আসে। তারা (বাংলাদেশের গোয়েন্দারা) মনে করছে, কুনিও হোশি হত্যাকাণ্ডে এই ব্যক্তির হাত রয়েছে।

“আমরা তথ্যগুলো কলকাতা পুলিশকে দিয়েছি। তার ভিত্তিতে তারা অভিযানে নেমেছে।”

আনসারুল্লাহর মতোই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির বেশ কয়েকজন নেতা ইতোপূর্বে ভারতে ধরা পড়েছিলেন।