মেইন ম্যেনু

কুড়িগ্রামের কৃতি ছাত্র আব্দুস শাফী’র প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে জাতীয় চ্যম্পিয়ানের পুরস্কার গ্রহণ

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা : সম্প্রতি ইসলামী ফাউন্ডেশন আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতা ও ইসলামী জ্ঞান বিষয়ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে কুড়িগ্রামের কৃতি ছাত্র এ.এস.এম আব্দুস শাফী।

পাশাপাশি সে জাতীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। শাফি কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা (এসএসসি সমমান) অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫(গোল্ডেন) পায় এবং রংপুর বিভাগে বিভাগীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭ম স্থান অধিকার করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়।

সে এবছর ২০১৭ সালে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে এ্ইচএসসি পরীক্ষা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেবে। শাফির বাবা মাওলানা মোশাররফ হোসেন কুড়িগ্রাম জেলার ঐতিহ্যবাহী পুরাতন গার্লস হাই স্কুলের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের একজন সিনিয়র শিক্ষক(হেড মাওলানা)।

শাফী উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ধাপে ধাপে বিজয়ী হয়ে জাতীয় পর্যায়েও সে অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়েছে। ফলশ্রুতিতে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে সে কাঙ্খিত পুরষ্কার অর্জন করে। জাতীয় শিশু কিশোর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে বিভাগীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে এ সাফল্য অর্জন করলো সে।

এর আগে পর্যায়ক্রমে এ প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে গত ২৯ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে সে কুড়িগ্রামের উপজেলা পর্যায়ে অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

পরে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে জেলা পর্যায়ে এবং ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গৌরব অর্জন করে। এরপর জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে।দেশের ৬৪ জেলার চ্যাম্পিয়নদের পেছনে ফেলে সম্প্রতি সে চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়।

তার এ সাফল্যে তার নিজ মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ শিক্ষকগণ ও তার পরিবারের সদস্যরা এবং শুভাকাঙ্খীগণ অনেক খুশি। সম্প্রতি শাফি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ট্রফি ও সার্টিফিকেট গ্রহণ করে।

এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল (এম.এ) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুর বখত জানান,আমরা শুধু কুড়িগ্রামবাসীই না রংপুর বিভাগের বাসিন্দারা সবাই খুশি তার এ সাফল্যে। তাকে অনুসরণ করে আরো অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর সৃষ্টি হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।