মেইন ম্যেনু

কুড়িগ্রামে দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টের কার্যক্রম অব্যাহত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রামে সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টের আওতায় ৩২ হাজার ৮শ’ দরিদ্র ও হত দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ৫ বছর মেয়াদী সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টের কাজ শুরু হয়েছে চলতি বছর। এ প্রোগ্রামের কাজ সমাপ্ত হবে আগামী ২০২০ সালে। কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় পরিচালিত সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টি বাস্তবায়ন করছে মহিদেব যুব সমাজ কল্যান সমিতি (এমজেএসকেএস)। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউএসএআইডি ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টের কর্ম এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট, ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও চর রাজিবপুর উপজেলার বাছাইকৃত ১৮টি ইউনিয়নের ১৮৮টি গ্রাম।

কর্ম এলাকার ৩২ হাজার ৮শ’ দরিদ্র ও হত দরিদ্র পরিবারগুলোকে কৃষি, স্বাস্থ্য ও পুষ্ঠি, দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সুশাসনের উপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ তাদেরকে আর্থিক ও কৃষি উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে মর্মে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে।

ইতোমধ্যে সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টের টার্গেটকৃত উপকারভোগীর মধ্যে ৪২০ জনকে বসতবাড়ীর উন্নয়নের উপর তিন দিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান শেষে তাদের মাঝে সবজি বীজ, গাছের চারাসহ নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ৫শ’ ৭৭ জন দরিদ্র ও হত দরিদ্র মানুষকে ক্ষুদ্র ব্যবসার উপর দুই দিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ দিয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে টার্গেটকৃত সকল উপকারভোগীকে প্রশিক্ষণের আওতায় এনে তাদের জীবনমান উন্নয়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

টার্গেটকৃত উপকারভোগির দেখ ভাল করার জন্য ১৮৮ গ্রাম থেকে ৪শ’ ৫৮জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে তাদেরকে পাঁচ দিনের দক্ষতা উন্নয়নের উপর মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষিত এসকল স্বেচ্ছাসেবক তাদের নিজ এলাকায় থেকে উপকারভোগীদের কার্যক্রম দেখভাল করে জীবন মানের উন্নয়ন করবেন।

মহিদেব যুব সমাজ কল্যান সমিতির (এমজেএসকেএস) আওতাভুক্ত সৌহার্দ্য-৩ প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো: ছাবেদ আলী ও এ্যাসিটেন্ট প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমদুল হাসান জানান, প্রজেক্টের কাজ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত কোন ধরণের সমস্যার সমুক্ষীণ হইনি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারীগন এবং কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় প্রজেক্টের কার্যক্রম ভালভাবে এগিয়ে চলছে। আমরা আশা করছি এই প্রজেক্টের মাধ্যমেই টার্গেটকৃত দরিদ্র ও হত দরিদ্র পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।