মেইন ম্যেনু

কেউ একটু রুবেলকে এনে দেবে আমার কাছে? ‘​আমি রুবেলকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে চাই’

ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বহু তিক্ততার পরও জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেনকে ভুলতে পারেননি আলোচিত অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপী। বিভিন্ন সময়ে রুবেলের প্রতি দুর্বলতার কথা জানিয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বাংলাদেশের তারকা এই বোলারের প্রতি আকুলতার কথা খোলাখুলি বললেন তিনি।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হ্যাপী বলেন, ‘কেউ একটু আমার রুবেলকে এনে দেবে আমার কাছে? আমি একবার একটু রুবেলকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে চাই। কতদিন দেখিনি! আমি কী করে বেঁচে থাকব রুবেলকে ছাড়া??? প্লিজ কেউ একটু আমার কাছে ওকে এনে দাও।’

রুবেলের প্রতি ব্যাকুলতার কথা জানিয়ে হ্যাপী আরো বলেন, ‘আমার খুব কষ্ট হয়, আমি আর রুবেলকে ভুলে থাকার অভিনয় করতে পারছি না। আমার সত্যিই অনেক কষ্ট হয়। কেউ রুবেলকে এনে দাও, একবারের জন্য, শুধু একবারের জন্য। আমি দু চোখ ভরে আমার বাবুটাকে দেখব—সে যে শুধুই আমার, আমার, আমার, আমার, আমার আর কারো না।’

রুবেলের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততার পরও স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে হ্যাপী বলেন, ‘সব সময়ই মনে পড়ে (রুবেলকে)। প্রকাশ করতে পারছি না। পোস্টও করি না। আমি স্ট্রং (শক্ত) থাকার চেষ্টা করি।’

ফেসবুকের পোস্টটি কি আগে থেকেই চিন্তা করে দেওয়া নাকি আকস্মিক? রুবেলকে ভুলে থাকার অভিনয় বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?— এসব প্রশ্নের জবাবে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘ওকে (রুবেল) আমার কথাগুলো পৌঁছানোর তো আর কোনো ওয়ে (পথ) নেই। সব কথা পৌঁছানোও যায় না। আমি তো আর ওর মতো অভিনয় করতে পারি না।’

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে (মামলা নম্বর ৩৭) অভিনেত্রী হ্যাপী বাদী হয়ে রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই বছরের ১ ডিসেম্বর হ্যাপীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন রুবেল। এ সময় হ্যাপী তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে এড়িয়ে যান রুবেল। এ ঘটনার পর ৩ ডিসেম্বর রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন হ্যাপী। ওই মামলায় ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন নেন রুবেল।

পরে গত ৮ জানুয়ারি এ মামলায় রুবেল হোসেন নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদিন কারাগারে থাকার পর পুনরায় জেলা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁকে জামিন দেন। চলতি বছরের ২০ মে হ্যাপীর করা নারাজি আবেদন খারিজ করে জাতীয় ক্রিকেট দলের পেস বোলার রুবেল হোসেনকে অব্যাহতি দিয়েছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।