মেইন ম্যেনু

কেকেআরের চাপ বাড়িয়ে পাঞ্জাবকে জেতালেন ঋদ্ধিমান

দুর্দমনীয় এক ইনিংস খেললেন ভারতের টেস্ট দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ঘরের মাঠে গিয়ে তিনি খেলে গেলেন ৫৫ বলে ৯৩ রানের মারমুখি ইনিংস। ১১ চারের সঙ্গে ছক্কা তিনটি।

বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়েতে ৭ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। তারপরও তারা প্লে-অফে যেতে পারবে কি-না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সমীকরণ বলছে, পাঞ্জাবের জয়ে চাপে পড়ে গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স(কেকেআর)।

পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মুম্বাই জিতলে কেকেআরের প্লে-অফ খেলা চূড়ান্ত হয়ে যেতো। শনিবার (১৩ মে) এই মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধেই খেলবে গৌতম গম্ভীরের দল। প্লে-অফে যেতে হলে এই ম্যাচটি জিততেই হবে কিং খান শাহরুখের দলকে। এটা সম্ভব না হলে তাদের প্লে-অফে যেতে অনেক যদি-কিন্তুর ওপর নির্ভর করতে হবে।

কেকেআরের জন্য কাজটা মোটেও সহজ হবে না। কারণ পাঞ্জাবের বিপক্ষে অল্পের জন্য হেরে গেছে মুম্বাই। ২৩০ রান তাড়া করতে গিয়ে তাদের থামতে হয়েছে ২২৩ রানে। ম্যাচটি সাত রানে জিতে নেয় পাঞ্জাব। হাশিম আমলা দেশে ফিরে যাওয়ায় এদিন ঋদ্ধিকে দিয়ে ওপেন করানোটা কাজে লেগেছিল। ওপেন করতে নেমে রীতিমতো ঝড় তোলেন তিনি।

একদিকে ঋদ্ধিমান ও অন্যদিকে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এই দু’জনের আগ্রাসী ব্যাটসম্যানের ৬৩ রানের জুটি যেমন পাঞ্জাবকে রানের পাহাড় তুলতে সাহায্য করে, তেমনই তার আগে মার্টিন গাপটিলের সঙ্গে ঋদ্ধির ৬৮ রানের জুটিও ছিল সমান বিধ্বংসী।

আইপিএলের দশ বছরে সবচেয়ে বেশি ২১৭ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড রয়েছে। মুম্বাই আর একটু হলেই সেই রেকর্ড ভেঙেই দিচ্ছিল প্রায়। কিন্তু শেষ দুই ওভারে পাঞ্জাবের দুই পেসার সন্দীপ শর্মা ও মোহিত শর্মার বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং বিধ্বংসী মেজাজে থাকা পোলার্ডকে আটকে দেয়।

ষোলো নম্বর ওভারে ম্যাট হেনরিকে পোলার্ড (২৪ বলে ৫০) ও পাণ্ডে (১৩ বলে ৩০) দুটো করে ছয় হাঁকিয়ে ম্যাচ প্রায় নিজেদের দিকে ঘুরিয়েই নিয়েছিলেন। এর পর মোহিত শর্মাও এক ওভারে ১৬ রান দিয়ে মুম্বাইকে জয়ের আরও কাছাকাছি নিয়ে চলে আসেন। এই সময় বাউন্ডারি লাইনে সহজ ক্যাচও ছাড়েন ম্যাক্সওয়েল। শেষ দুই ওভারে ২৩ রান দরকার ছিল মুম্বাইয়ের। কিন্তু সন্দীপ সাত রান ও মোহিত আট রান দেওয়ায় আর লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি রোহিত শর্মার দল।

খেলার শেষে ম্যাচসেরা ঋদ্ধিমান বলেন, ‘প্রথম ছয় ওভারেই চালিয়ে খেলার পরিকল্পনা নিয়ে নেমেছিলাম। আট ওভারেই যখন একশো উঠে যায়, তখন ঠিক করে করি, দু’শ তুলতে হবে। ম্যাক্সওয়েল ক্রিজে এসে বলে, ‘চালিয়ে যাও। না পারলে স্ট্রাইক রোটেট করো’। দু’জনেই চালিয়ে খেলেছি।’






মন্তব্য চালু নেই