মেইন ম্যেনু

কেন জিমন্যাস্টিক্স বেছে নিলেন দীপা, জানলে আপনি তাকে স্যালুট জানাবেন…

দীপা কর্মকারকে নিয়ে এখন মাতামাতি গোটা দেশে। ত্রিপুরার মেয়েটি প্রোদুনভা ভল্টের জন্যই এখন বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন।

দীপা কর্মকারকে নিয়ে এখন মাতামাতি গোটা দেশে। ত্রিপুরার মেয়েটি প্রোদুনভা ভল্টের জন্যই এখন বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন। দীপার মতো প্রোদুনভা ভল্ট দিতে কেউই পারেন না। বিশ্বের নামজাদা জিমন্যাস্টরা স্বীকার করে নিয়েছেন এই ভল্ট খুবই বিপজ্জনক। ঠিকঠাক না হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে সংশ্লিষ্ট জিমন্যাস্টের। এ হেন দীপা কর্মকার বলছেন, এক দিন তাঁর নামেই হয়তো কোনও ভল্টের নামকরণ করা হবে। সেদিনের অপেক্ষায় গোটা ভারত।

রিওর পারফম্যান্স দীপাকে পাদপ্রদীপের আলোয় এনে ফেলেছে। ত্রিপুরা থেকে কীভাবে উঠে এলেন দীপা, কেন জিমন্যাস্টিক্স বেছে নিলেন তিনি, তা জানার কৌতূহল এখন সবারই। দীপা স্বয়ং রহস্য উন্মোচন করে বলছেন, ‘‘পাঁচ বছর বয়স থেকেই আমি জিমন্যাস্টিক্সে। তখন অন্য খেলা সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানতাম না।

ত্রিপুরায় জনপ্রিয় খেলা বলেও কিছুই ছিল না। ফলে অন্য কোনও খেলা যে বেছে নেব, সেই সুযোগও ছিল না। মোবাইল ফোনও ছিল না তখনকার দিনে। ফলে অন্য খেলা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার অবকাশও ছিল না। আমার বাবার হাত ধরেই জিমন্যাস্টিক্সে চলে আসি। কয়েকদিনের মধ্যেই আমি ভালবেসে ফেললাম জিমন্যাস্টিক্স।’’

দীপার বাবা দুলাল কর্মকার খবরের ভিতরকার খবর ফাঁস করে বলছেন, ‘‘আমার দুই মেয়ে। এক মেয়েকে খেলোয়াড় বানাব এটাই আমাদের চিন্তাভাবনা ছিল। আমার বড় মেয়ের এখন বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ওর খেলাধুলোর প্রতি আগ্রহ ছিল। দীপা আবার ছটফটে স্বভাবের ছিল। স্কুল ছুটির শেষে ঘরে আর রাখা যেত না দীপাকে।

ওর উচ্চতা এবং শারীরিক গঠনও জিমন্যাস্টিক্সের আদর্শ ছিল। টেনিস, বাস্কেটবলে না-দিয়ে দীপাকে জিমন্যাস্টিক্সেই দিয়ে দিই।’’অন্য কোনও খেলা বেছে নিলে দেশ আজ দীপাকে পেত না।