মেইন ম্যেনু

কোকের কিছু অসাধারণ ও ব্যতিক্রমী ব্যবহার!

কোকের ভেতরে আজকাল নানারকম রাসায়নিক ও শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক পদার্থ থাকার ঘটনা বলা হচ্ছে। গুজব নাকি সত্যি সেটা ঠিকঠাক না বলা গেলেও এটা তো ঠিক যে যা রটে তার কিছু তো বটে। এছাড়াও শারীরিক সুস্থতার ক্ষেত্রে এই পানীয়গুলো খুব বেশি স্বাস্থ্যসম্মতও নয়। দাঁতের এনামেল ভেঙে ফেলা, ডায়াবেটিস সৃষ্টি, কিডনির নানাবিধ ঝামেলা আর প্রজনন ক্ষমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে বেশ ভালোভাবে প্রভাব ফেলে এই সামান্য পানীয়টি। তাহলে কি করবেন ঘরের ফ্রিজে পড়ে থাকা ক্যানভর্তি কোক বা পেপসিকে দিয়ে? ফেলে দেওয়ার কথা ভাবছেন তো? তবে না! ফেলে না দিয়ে এই কোককে অন্য কিছু কাজে লাগাতে পরেন আপনি সহজেই। জানতে চান কি করে? চলুন তাহলে জেনে আসি পান করার পরিবর্তে ঠিক কি কি কাজে লাগাতে পারেন আপনি কোককে।

১. পয়সা চকচকে করতে

খুব শখ মুদ্রা জমানোর? অথচ যত দিন যাচ্ছে সংগ্রহে থাকা মুদ্রাগুলোর ওপরে ময়লা পড়ে, জং ধরে যাচ্ছে? তাহলে ফ্রিজের পড়ে থাকা কোকের ক্যান খুলে শুরু করে দিন পুরোন হয়ে যাওয়া পয়সাগুলোকে একে একে ধুয়ে ফেলতে। দেখুন কেমন চকচকে হয়ে ওঠে সেগুলো।

২. পোকামাকড় মারতে

চমকে উঠলেন বুঝি? চমকানোর মতন হলেও আপনার এই অতি সাধারন পানীয় কোকটি কিন্তু ছোট-খাটো পোকামাকড় মেরে ফেলতেও সাহায্য করতে পারে আপনাকে। আর এর সবটাই এটি করে নিজের ভেতরে মিশে থাকা এসিডের সাহায্যে। তাই নির্ভয়ে এখনই ধ্বংস করে ফেলুন বাড়ির কোনায় লুকিয়ে থাকা পোকা-মাকড়গুলোকে।

৩. ঘরোয়া পরিষ্কারক

ঘরের মেঝেটা ময়লাটে দেখাচ্ছে? টাইলস, বাথটাব বা কোন অংশে তেল পড়ে চিটচিটে অবস্থা? কোক দিয়ে খানিক সময় ঘষে দেখুন। নিমিষে এসব ঝামেলা দূর করে দেবে এই একটি মাত্র তরল পদার্থ। শুধু মেঝে বা বাথটাব কেন, কার্পেটের ওপরে লেগে থাকা মার্কারের দাগকে সরিয়ে ফেলতেও কোক সাহায্য করবে আপনাকে। এক্ষেত্রে কেবল কালি লাগা সেই স্থানটিতে খানিকটা কোক ঢালুন আর এরপর সেখানে বেশ ভালোভাবে ঘষুন যেমনটা করেন সাবান ব্যবহারের পরে। ব্যস! রং গায়েব।

৪. গাছের পরিচর্যায়

গাছের আশে পাশে থাকা পোকা-মাকড় মারা ছাড়াও কোক ব্যবহার করতে পারেন আপনি বাসার গাছের পুষ্টির ক্ষেত্রেও। এমনিতেতো সেটা সার দিয়েই হয়ে যায়। তবে সারের সাথে খানিকটা কোকও মিশিয়ে নিন। দেখবেন আরো অনেক ভালো কাজ দেবে সেটা। সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে আপনার গাছ।

৫. কাপড়ের দূর্গন্ধ দূর করতে

কিছু মানুষ পুরো বছরেই একটু বেশি ঘামেন। এছাড়াও এই গরম কালে কাঠ ফাটা রোদে ঘাম তো হবেই। ফলে জামা-কাপড়ও হয়ে পড়বে দূর্গন্ধ। সেই দূর্গন্ধ মাঝে মাঝে এতটাই বেশি হয়ে যায় যে, সাধারন পরিষ্কারকেও কাজ হয়না পুরোপুরি। তাই জামা-কাপড়কে একেবারে দূর্গন্ধমুক্ত করে ফেলতে পরিষ্কার করার আগে খানিকটা কোক ঢেলে দিন। দেখবেন, দূর্গন্ধ কোথায় চলে গিয়েছে!