মেইন ম্যেনু

কোটি টাকা খরচ করেও যেসব স্থানে প্রবেশের অনুমতি মেলে না

কথায় আছে টাকা থাকলে কি না হয়, কি না কেনা যায়। টাকার গরমে পৃথিবীর অনেকে অনেক কিছু করছেন। তবে আপনি টাকা খরচ করেও বিশ্বের তিনটি জায়গায় প্রবেশের অধিকার পাবেন না।

ভ্যাটিক্যান সিক্রেট আর্কাইভ— পোপতন্ত্র যুগ যুগ ধরে তার বিরোধী নথিপত্র এই মহাফেজখানায় গচ্ছিত রেখেছে বলে কথিত। সেই সঙ্গে নাকি রয়েছে ভ্যাটিক্যানের নিজস্ব গেপন নথিও। সাধারণ মানুষ কোনও দিনই প্রবেশাধিকার পাবেন না এই মহাফেজখানায় প্রবেশের। কেবলমাত্র অতি বিখ্যাত গবেষকরাই এখানে ঢোকার অনুমোদন পান।

ইলহা দা কুয়েইমাদা গ্রান্দে অথবা ‘সর্পদ্বীপ’— ব্রাজিলের এই দ্বীপটি সাও পাওলো তটভূমি থেকে ৯০ মাইল দূরে অবস্থিত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই দ্বীপে ২-৪ হাজার গোল্ডেন ল্যান্সহেড ভাইপার সাপ রয়েছে। তেমনভাবে দেখলে দ্বীপের প্রতি বর্গমিটারে একটি করে কালান্তক সর্পরাজ ফোঁস ফোঁস করছেন। আর কে না জানে, গোল্ডেন ল্যান্সহেড ভাইপার বিশ্বের প্রধানতম বিষধর সাপগুলির একটি। ফলে এই দ্বীপে পা রাখা একেবারেই বারণ। কেবল জীববিজ্ঞানীরই বিশেষ অনুমতি নিয়ে গবেষণার জন্য পা রাখেন এখানে।

কোকা-কোলা রেসিপি ভল্ট— ১৮৮৬ সালে ফার্মাসিস্ট জন এস পেমবার্টন তৈরি করেন ভুবনজয়ী পানীয় কোক-এর নির্মাণ-প্রণালী। তিনি জানতেন এই রেসিপি বিশ্বের অন্যতম ট্রেড-সিক্রেট। জর্জিয়ার আটলান্টার ‘ওয়ার্ল্ড অফ কোকা-কোলা’ সংগ্রহশালাতেই এই ভল্টটি রয়েছে। কড়া পাহারায় রাখা হয় এই ভল্টকে। পাবলিকের প্রবেশ নাস্তি।