মেইন ম্যেনু

কোনো কিছুতে চাপা পড়ে মৃত্যু নিয়ে রাসূল (স:) যা বলেছিলেন

সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র মসজিদ আল হারামের (গ্র্যান্ড মসজিদ) বর্ধিতাংশের নির্মাণ কাজের সময় ছাদ থেকে শুক্রবার ক্রেন ভেঙে পড়ে ১০৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দু’শতাধিক। হতাহতদের বেশিরভাগই হজযাত্রী। আহতদের মধ্যে ৪০ বাংলাদেশিও রয়েছেন।

চলতি মাসের শেষদিকে পবিত্র হজ উদ্যাপনে লাখো মুসল্লি জড়ো হতে শুরু করেন পবিত্র মক্কা নগরীতে। পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই ঘটে গেল এত বড় দুর্ঘটনা। তবে এ দুর্ঘটনায় যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা শহীদের মর্যাদা পাবেন।

এ মর্যাদা পাওয়ার কারণগুলো হলো : এ মৃত্যু সাধারণ মৃত্যু নয়; বরং শাহাদাতের মৃত্যু ইনশাল্লাহ, যে মৃত্যু প্রত্যেক মুমিনের প্রত্যাশা। কারণ, এ মৃত্যু সংঘটিত হয়েছে-

১. জুমার দিনে (রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে বা জুমার রাতে মৃত্যুকে কবরের আজাব থেকে নিষ্কৃতি লাভের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন; তিরমিজি, হাসান)।
২. জুমার দিনের শেষ সময়ে (যা দোয়া কবুলের সময়)।
৩. পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম এবং আল্লাহর সবচেয়ে পছন্দনীয় শহরে।
৪. পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ঘর কাবার পাশে।
৫. হজের মতো অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদতের মধ্যে।
৬. হজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল তওয়াফরত অবস্থায়।
৭. ইহরাম পরিহিত অবস্থায় (রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, কিয়ামতের দিন সে লাব্বাইক… পাঠ করতে করতে উঠবে)।
৮. বৃষ্টিরত অবস্থায় (বৃষ্টি হলো আল্লাহর রহমত); বৃষ্টির পানি শহীদের রক্ত ধুয়ে দিচ্ছে!
৯. ক্রেন ধসে মৃত্যু (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো কিছু ধসে বা কোনো কিছুতে চাপা পড়ে মৃত্যুকে শহীদী মৃত্যু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন)।
১০. সারা বিশ্বের অগণিত মুসলিম এ দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য দোয়া করছেন, আল্লাহতায়ালা যেন তাঁদের ক্ষমা করে দেন এবং তাঁদের শহীদ হিসেবে কবুল করে নেন।