মেইন ম্যেনু

কোরবানিতে পশুর সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য পশুর অভাব হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর টিসিবি ভবনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর কনফারেন্স রুমে এক আলোচনাসভায় এ আশার কথা শোনান মন্ত্রী। আগামী ঈদে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ঈদে কোরবানির জন্য ৩০ লাখ গরু এবং ৬৯ লাখ ছাগল আছে। ফলে পশুর অভাব হবে না। পাশাপাশি কোরবানির যে আয়োজন অর্থাৎ কোরবানি সম্পন্ন করতে যা যা প্রয়োজন সবকিছুই পর্যাপ্ত আছে এবং দামও স্বাভাবিক থাকবে।’

সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় বাংলাদেশেও বেড়েছে। কিন্তু এখন পাকিস্তান এবং মিয়ানমার থেকে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আসছে। ফলে দামও সাধারণের হাতের নাগালে চলে আসবে।

মরিচের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক দিনের বন্যা এবং অতিবৃষ্টিতে জমিতে পানি ওঠায় মরিচের যোগান দিতে সমস্যা হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এখন বাজার নিয়ন্ত্রণে আছে। কোরবানির ঈদে কোনো সমস্যা হবে না। দামও হাতের নাগালে থাকবে। শুধু রমজান বা কোরবানির ঈদ নয়, সারা বছর নিত্যপণ্যের দাম হাতের নাগালে রাখার চেষ্টা করা হবে।’

এ সময় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, পেঁয়াজ উৎপাদনে কৃষকদের প্রণোদনা দিতে হবে। পাশাপাশি কাঁচা মরিচের ওপর সিজন বুঝে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, আগে পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কারণ পাইকারী ব্যবসায়ীদের কারণেই দাম বাড়ে, কিন্তু দোষ বর্তায় খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর।