মেইন ম্যেনু

ক্যাডার ও ননক্যাডারে অভিন্ন গ্রেডের আশ্বাস

অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে ক্যাডার ও ননক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক বেতন গ্রেড অভিন্ন করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে অষ্টম বেতন স্কেল-সংক্রান্ত পাঁচ দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাসসকপ। সেই বৈঠকেই এই আশ্বাস দেয়া হয় বলে জানান বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদের (বাসসকপ) মহাসচিব মো. জিন্নাত আলী বিশ্বাস।

এদিকে সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাসসকপ জানায়, এ মাসের মধ্যে দাবি পূরণ সমাধান না হলে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারির পর আবার আন্দোলনে যাবে তারা।

নিজেদের পাঁচ দফা দাবি নিয়ে গত বছরের ২১ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কর্মবিরত পালন করে আসছে বাসসকপ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ তারা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠক প্রসঙ্গে বাসসকপের মহাসচিব ও সভাপতি জানান, মুখ্য সচিবের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে এবং প্রারম্ভিক পদে ক্যাডার-ননক্যাডার বেতনবৈষম্য থাকবে না বলে জানান তিনি।

বাসসকপের মহাসচিব মো. জিন্নাত আলী বিশ্বাস বলেন, মুখ্য সচিব জানিয়েছেন, ননক্যাডার কর্মকর্তাদের সমগ্র চাকরিজীবনে চারটি বেতন ধাপ পরিবর্তন ও উপজেলা পরিষদের ক্ষমতায়নের জন্য ইউএনওর কর্তৃত্ব সৃষ্টির অফিস স্মারক বাতিলের বিষটি সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাবগুলোর ওপর দ্রুতই অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি নির্দেশনা পাঠাবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

মহাসচিব আরো বলেন, “আজকের বৈঠকে অষ্টম বেতন স্কেল-সংক্রান্ত ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে কিছু সংশোধন করা হবে বলে মুখ্যসচিব আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।”

তাদের অন্য দাবিগুলো হলো্- সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বহাল রাখা, ননক্যাডার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সমগ্র চাকরিজীবনে কমপক্ষে চারটি উচ্চতর বেতন ধাপ পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি, উপজেলা পরিষদের ক্ষমতায়নের নামে ইউএনওর কর্তৃত্ব সৃষ্টির অফিস স্মারক বাতিল করা এবং নিজস্ব সার্ভিস/বিভাগ বহির্ভূত সব ধরনের প্রেষণ প্রথা বাতিল করে নিজস্ব কর্মকর্তা দিয়ে অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/দপ্তরের সর্বোচ্চ পদ পূরণে গুরুত্ব দেয়া।

এদিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব দাবি বিবেচনার জন্য সরকারকে কিছুটা সময় দিতে চায় বাসসকপ। তাই তাদের চলমান কর্মবিরতি আপাতত স্থগিত থাকবে। এ মাসের মধ্যে গ্রহণযোগ্য সমাধান না হলে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বৈঠকে বাসসকপের মহাসচিব-সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী আমিরুল ইসলাম খান, কৃষিবিদ জাহিদ হাসান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মো. কামরুজ্জামান, এলজিইডির শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, যুব উন্নয়নের আবুল কালাম আজাদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের খালেদা আক্তার জাহান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সেলিনা আক্তার, নির্বাচন কমিশনের আফজাল হোসেন।