মেইন ম্যেনু

ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি করে রিজেন্ট এয়ারের টিকিট ক্রয়

অন্যের ক্রেডিট কার্ড নম্বর ব্যবহার করে ৪ হাজার ডলার মূল্যের রিজেন্ট এয়ারের ৪টি টিকিট কিনে নিয়েছেন এক ব্যক্তি। কিন্তু নিয়ম অনুসারে একজন বিদেশি ব্যক্তির ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কিভাবে একটি এয়ার লাইন্স কোম্পানির টিকিট কেনার মতো প্রতারণা করলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার ক্রেডিট কার্ড মালিক কলম্বিয়ার নাগরিক রডরিগো সোসা অ্যাবেনডানো রিজেন্ট এয়ারের ফেসবুকে পাঠানো অভিযোগে জানতে চান, কিভাবে তার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে এমন জালিয়াতি করা হলো।

বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন,‘কিছু লোক আমার ক্রেডিট কার্ড চুরি করে তা ব্যবহার করছে। গতকাল ব্যাংক থেকে জানানো হয় উক্ত কার্ড ব্যবহার করে চার হাজার ডলার (৩ লাখ ১৪ হাজার ৫১৪৩ টাকা) লেনদেন করে আপনাদের কোম্পানির চারটি টিকিট বুক দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক লেনদেন হওয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাকে এর চেয়ে বেশি কিছু জানাতে পারেনি। আমার চুরি যাওয়া কার্ড ব্যবহার করে আপনাদেরকে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। এ অবস্থায় আপনাদের কাছে আমি কি ধরণের সহযোগিতা পেতে পারি। ধন্যবাদ।`

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রিজেন্ট এয়ার নিজেদের টিকিট বাণিজ্য বাড়াতে কোনো প্রকার যাচাই বাছাই করছে না। যেটা একটা ভাল প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই জরুরি। “আন অথোরাইজড” ক্রেডিট কার্ড হোল্ডার এই কাজ করে থাকতে পারেন। যা ধরার মতো প্রযুক্তি রিজেন্ট এয়ারের কাছে নাই। যদিও এই প্রযুক্তির যুগে এটা বাস্তব সম্মত না। রিজেন্ট এয়ারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে রিজেন্ট এয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিষ রায় চৌধুরী বলেন, টিকিটিং সিস্টেম অনলাইন নির্ভর হওয়ার পর থেকে এই সমস্যা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে আরো এসেছে।

তিনি বলোন, যদিও এ ধরনের ঘটনার সাথে সরাসরি এয়ারলাইন্স জড়িত না । সংশ্লিষ্ট ব্যাংক একজন গ্রাহককে কিভাবে টাকা ছাড় দেবেন এটার পলিসি তারাই বানাবেন। এ বিষয়ে নিযুক্ত এজেন্সিরও দায়-দায়িত্ব রয়েছে। এর সঙ্গে কোনো ভাবেই রিজেন্ট এয়ার যুক্ত নয় বলে দাবি করেন আশিষ রায় চৌধুরী। তবে নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে একটু সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।