মেইন ম্যেনু

কয় ম্যাচ নিষিদ্ধ হচ্ছেন নেইমার?

এগারো ম্যাচ পর জয়রথ থেমে যাওয়াটা এমনিতেই অনেক তেতো ছিল। ব্রাজিল সমর্থকদের সেই তোতো স্বাদ রীতিমতো অসহনীয় লাগছে নেইমারের লাল কার্ডে। এ যেন মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি এমনিতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে যাচ্ছিল আগে থেকে। এক বছর আগে বিশ্বকাপের আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়াইটা কীভাবে ভুলবেন নেইমার। ওই ম্যাচেই কলম্বিয়ার হুয়ান জুনিগার লাথিতে কোমর ভেঙেছিল নেইমারের। সেই পুরোনো হতাশার কথা মনে করেই বোধ হয় ভোরের কোপার ম্যাচে খুব বেশি উত্তেজিত ছিলেন হালের এই ব্রাজিলীয় সেনসেশন।

সেই উত্তেজনার মূল্যও তিনি দিলেন লালকার্ড পেয়েই। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পাওয়ায় এই লালকার্ডের শাস্তি হতে যাচ্ছে আরও বড়। কোপার পরের ম্যাচটিতো বটেই। নেইমার নিষিদ্ধ হতে পারেন মোট তিন ম্যাচে। তিন ম্যাচে নেইমার নিষিদ্ধ হলে তা হবে ব্রাজিলের জন্য বিরাট এক আঘাত।
সান্তিয়াগোর এই ম্যাচে প্রথমার্ধে বলে হাত লাগিয়ে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন নেইমার। লাল কার্ডটা হয়তো পেয়ে যেতেন ওই ঘটনার পরপরই। হতাশার সঙ্গে বলে ঘুষি দিয়েও তিনি পার পেয়ে গিয়েছিলেন সে যাত্রা। কিন্তু ম্যাচের শেষে তিনি কলম্বিয়ার খেলোয়াড়দের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন বিবাদে। পাবলো আরমেরোকে লাথি মেরেই খেয়ে বসেন লালকার্ড। এই ঘটনায় অবশ্য কলম্বিয়ার কার্লোস বাক্কাকেও লালকার্ড পেতে হয়েছে।

লালকার্ড না পেলেও দুই হলুদ কার্ডের খাঁড়ায় এমনিতেই ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি মিস করতেন নেইমার। লালকার্ড খেয়ে শুধু শাস্তির বোঝাটা তিনি বাড়ালেন।

নেইমারের লালকার্ডে অবশ্য স্পষ্ট বিরক্তি ঝরেছে তাঁর ক্লাব ও জাতীয় দলের সতীর্থ দানি আলভেজের কণ্ঠে। বলেছেন, ‘কলম্বিয়ার খেলোয়াড়দের আচরণ ছিল প্রচণ্ড উষ্কানিমূলক। খেলার শুরু থেকেই ওরা নেইমারকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে মাঠে নেমেছিল। নেইমারকে লালকার্ড খাইয়ে তাদের লক্ষ্য কিন্তু ঠিকই পূরণ হয়েছে।’

নেইমারের শাস্তির ধরনটা কী হবে—সবার কৌতূহল এখন এটিই। তাঁর নিষেধাজ্ঞা যে এক ম্যাচের হচ্ছে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিতই। খেলার বাইরে বিবাদে জড়িয়ে এই লালকার্ড দেখায় শাস্তিটা নিয়মানুযায়ীই বেশি হওয়ার কথা। তিনি যদি তিন ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়েই যান। তাহলে ব্রাজিল ফাইনালে না উঠতে পারলে তাঁর সঙ্গে আর দেখা হচ্ছে না কোপার দর্শকদের। সূত্র: রয়টার্স।